ঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রহসন চলছে দেশে। আগামি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। অথচ দেশের হাল হকিকত কী বলছে?
জনগণ বলছে, আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচন তারা মানবে না।
বর্তমান বাস্তবতায় নির্বাচন আর কোনোরকম গণতন্ত্রের উপাদান বহন করে না, এটি এখন ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত, প্রহসনমূলক নাটক। দেশের নির্বাচনের কথায় চোখের জনগণ চোখের পানি ফেলছেন।
আসলে দেশে ভোটের নামে যে প্রহসন মঞ্চস্থ করা হচ্ছে, তা জনগণের রায় নেওয়ার জন্য নয় বরং আগেই ঠিক করা রাজনৈতিক সমঝোতাকে বৈধতা দেওয়ার একটি কৌশল মাত্র।
আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে ইউনূসের ওপর। কিন্তু ভবিষ্যৎ কী হবে, সময় বলবে!
ইউনুস সরকারের অধীনে এই নির্বাচন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন নয়, এটি ক্ষমতার অঙ্ক কষে সাজানো একটি পাতানো আয়োজন।
নির্বাচনের দিকে তাকালে মনে হচ্ছে, ভোটারদের কেবল দর্শক বানানো হবে। তাঁদের দেখা ছাড়া কোনো নেই। তার কাজ ব্যালট বাক্সে কাগজ ফেলা, কিন্তু তার মতামতের কোনো মূল্য নেই।
এছাড়াও বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের বাইরে রেখে, তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়েই এই পাতানো নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার চেষ্টা।
