ঢাকা: বরেণ্য সংগীতশিল্পী, সুরকার ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী শব্দসৈনিক মলয় কুমার গাঙ্গুলী আর নেই। সোমবার রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই শিল্পী।
প্রখ্যাত শিল্পী ও সুরকার বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে। একইসাথে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
সংসারে রেখে গেলেন পরিবার-পরিজন সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী।
শিল্পীর একমাত্র মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফিরলে শেষকৃত্য নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মরদেহ ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
বরেণ্য এই শিল্পীর প্রয়াণে সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ‘ভাওয়াইয়া অঙ্গন’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশ বেতারের সাবেক সংগীত প্রযোজন শিল্পী একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে শোক জানিয়ে লিখেছেন, আমার প্রিয় মলয় দা (মলয় কুমার গাঙ্গুলী) নীরবে নিশব্দে অনন্তকালের পথে চলে গেলেন।
তিনি দেশবরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী। তিনি বাংলাদেশ বেতারের সুরকার ও সংগীত প্রযোজক, নিজস্ব শিল্পীদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের বীর মুক্তিযোদ্ধা (কণ্ঠযোদ্ধা) ছিলেন। তার গাওয়া বিখ্যাত গান ‘আমার মন তো বসে না গৃহ কাজে সজনী গো, অন্তরে বৈরাগীর লাউয়া বাজে’।
মলয় কুমার গাঙ্গুলীর ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের জন্য তৈরি করা ঐতিহাসিক গান ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত, বঙ্গবন্ধু মরে নাই’। এই গানে সুর দিয়েছিলেন তিনি।
