ঢাকা: সারাদেশে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সংকট দিয়েছে। নাহ! ইন্টেরিমের অবশ্য এগুলো দেখার দরকার নেই।
অনেক এলাকায় সময়মতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সংকটের সুযোগে কোথাও কোথাও অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে, চট্টগ্রামে এলপিজি বা সিলিন্ডার গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দোকানের সামনে সারি সারি খালি সিলিন্ডার পড়ে থাকলেও ভরা সিলিন্ডার নেই; গ্যাসের হাহাকার চারদিকে।
দেখা যাচ্ছে, নগরের অধিকাংশ খুচরা দোকানে এলপিজির কোনো মজুত নেই। কোথাও কোথাও অল্পসংখ্যক সিলিন্ডার এলেও তা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, সরকারি দপ্তরের দুর্নীতি এবং পেট্রো বাংলার চেয়ারম্যান নিয়োগের মতো শতকোটি টাকার চুক্তি এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। প্রতিটি সিলিন্ডারের বাজারমূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের দুর্নীতির প্রভাব স্পষ্ট।
বিশ্লেষকরা বলেন, “সরকারি দুর্নীতি ও বাজার মনোপলির কারণে সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত বোঝা চাপছে। শুধু ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন।”
প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারের পদক্ষেপ কি সাধারণ মানুষকে সহায়তা করবে নাকি এই সংকট আরও বাড়বে?
তবে সিন্ডিকেটের মজুতদারী নিয়ে কোনও কথা নাই। ধমক তো দূরে। তেমন আওয়াজও তুলতে সক্ষম হচ্ছে না সরকার।
দেখা গেছে , ব্যবসায়ীরাই উপদেষ্টার লাগাম টেনে ধরে আছে।
