ঢাকা: নির্বাচন যতটা ঘনিয়ে আসছে হামলা -হত্যা ততই বাড়ছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হামলার খবর। যেখানে জামাত শিবির দেশের জনগণ মেরে উজাড় করে ফেলছে সেখানে উলোটপুরাণ দেখা যাচ্ছে। জামায়াত নেতাকেই মেরে ফেলে রেখে গেছে! নিজের নাক কান কেটে হলেও নির্বাচন বন্ধের কৌশল করছে এরা।
নির্বাচন বন্ধ করার যে এইসব কৌশল, তা জনগণ খুব ভালো বুঝতে পারছে।
এবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি অফিসের পাশে গুলির ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার(১৩ জানুয়ারি) রাতে এই ঘটনা ঘটে। বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী মো. নাসিরুল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কাজী মো. নাসিরুল আমিন জানান, পাওনা টাকা বা চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে এই গুলি চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
তবে পুলিশের বোঝা উচিৎ যারা নিজেরাই চাঁদাবাজি করে পেটে চর্বি বানিয়ে ফেলেছে, সেই চাঁদাবাজ্ গুরুদের কাছে কে চাঁদা চাইবে?
ঘটনার পর পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এনসিপি কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু হিসেবে দেখছে না।
এদিকে, দলের মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম জানান, বাড্ডার ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের সাংগঠনিক অফিসের পাশে এই গুলিবর্ষণ হয়েছে। এটি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ব্যক্তিগত বা সরাসরি কোনো নির্বাচনী অফিস ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই বলেই মনে করছে দলটি।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, এই গুলিবর্ষণের সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই। তিনি মনে করেন এটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড যা চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পর্কিত।
