ঢাকা: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী মানুষদের জীবন কাটছে অসহনীয় আতঙ্কের মধ্যে। কখন কি হয় তার কোনো ঠিকানা নেই।

প্রতিদিন কোথাও না কোথাও খুন হচ্ছে মানুষ, পুড়ছে ঘরবাড়ি, ভাঙা হচ্ছে উপাসনালয়। ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু দাস, যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগী, নরসিংদীতে শরৎ চক্রবর্তী মণি, চট্টগ্রামের রাউজানে পরিবারসহ আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে সংখ্যালঘু পরিবারকে।

জীবন্ত পুড়িয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে হিন্দুদের।

জঙ্গী ইউনূস বসে বসে মজা নিচ্ছেন।

জামায়াত এখন রাজনৈতিক দলের মুখোশ পরে ঘুরছে, কিন্তু তাদের আসল চেহারা লুকানো নেই। তারা ছিল, আছে এবং থাকবে একটি ইসলামি জঙ্গি সংগঠন, যাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি ধর্মান্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা।

এবং তাই করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচার ব্যবস্থায় ভিতরে ভিতরে তাদের লোক বসিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলেছে।

সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চলছে প্রকাশ্যে, আর কোনো বিচার হচ্ছে না, কে করবে বিচার?

এর বিরুদ্ধে মুখ খুললেন পোপ লিও চতুর্দশ।

বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় সহিংসতা ও চরমপন্থী হামলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের নিন্দা করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ।

তিনি নির্যাতিত সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর পাশে দাঁড়াতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এক বক্তব্যে পোপ বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার।

জিহাদীরা সংখ্যালঘুদের প্রতি নির্যাতন চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসীকে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

পোপ লিও চতুর্দশ বলেন, বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রণোদিত সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে হামলা ও বৈষম্যের ঘটনা তাকে উদ্বিগ্ন করছে।

তিনি বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, সুদানসহ বিভিন্ন দেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব অঞ্চলে চরমপন্থী সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *