ঢাকা: আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন কোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচন নয়। এই প্রহসনের নির্বাচন জনগণ মানবে না, জানিয়ে দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে ইউনূসের ওপর। কিন্তু তিনি একদম চুপ।
আসন্ন নির্বাচন আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে করলে তা অর্থহীন হবে বলে মনে করেন চার ব্রিটিশ এমপি। এঁরা হলেন বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জাস আথওয়াল ও ক্রিস ল’।
মঙ্গলবার তাঁরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যখন দেশটি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে এগোচ্ছে।
শেখ হাসিনার উৎখাতের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে দেশের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারিতে।
তাঁরা বলেন, সকল সুবিবেচক মানুষই আশা করেন যে এই নির্বাচন একটি ন্যায়সঙ্গত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে অবদান রাখবে।তবে তা তখনই সম্ভব হবে, যদি নির্বাচনটি সত্যিকার অর্থে অংশগ্রহণমূলক হয় এবং সম্ভব হলে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দ্বারা অনুমোদিত হবে।
জনগণ বলছে, যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক থাকবে না, যে নির্বাচনে আওয়ামী লিগ অংশগ্রহণ করবে না।
যারা আওয়ামী লীগ করেন, তাঁরা বলছেন, নৌকা মার্কা যেখানে নেই সেখানে আমরা ভোট দেবো না।
আওয়ামী লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, আমাদের সংগ্রামী শুভেচ্ছা, সালাম ও অভিবাদন গ্রহণ করুন। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশর আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গভীর সংকট থেকে ভয়াবহ বিপর্যয়ে নিপতিত হয়েছে।
অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী—খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনুসের দানবীয় দুঃশাসনের তাণ্ডবে দেশ আজ লণ্ডভণ্ড, এ যেন এক ক্ষতবিক্ষত বিপন্ন জনপদ, সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামল প্রিয় স্বদেশভূমি আজ গণশত্রু ইউনুসের ফ্যাসিস্টতন্ত্রের তাণ্ডবের জাঁতাকলে পিষ্ট আজ দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণ।
গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নির্বাসিত। ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন অনুপস্থিত, নারীর প্রতি চলছে সহিংসতা, শিল্পাঙ্গনে অরাজকতা, দেশের সম্পদ বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। অগণিত অবর্ণনীয় দুর্ভোগ আর ভয়াবহ পরিকল্পনায় একটি নীল নকশার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পাঁয়তারা করছে’।
আগন্তুক এই নির্বাচন ঘিরে নিজের মতামত প্রকাশ করেন লেখক তসলিমা নাসরিন!
“বড় একটি রাজনৈতিক দলকে বাতিল করে বাংলাদেশে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেটি নিতান্তই একটি গণতন্ত্রবিরোধী প্রহসন
তার ওপর গণভোট চাপিয়ে দেওয়া আরও বড় গণপ্রতারণা। সব মিলিয়ে গণতন্ত্রের নামে যা শুরু হয়েছে, তা বড় একখানা গণতামাশা ছাড়া আর কিছু নয়”।
