সিলেট: ইউনূসের আমল চলছে। মব তন্ত্রের যুগে চিকিৎসক, শিক্ষক মার খেয়ে খেয়ে বিধ্বস্ত। তাঁদের এই দেশে আর কোনো সম্মান নেই।
এবার সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার ঘটনায় এক নারী চিকিসৎকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন
জানা গেছে , এতে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে তাঁরা হলেন- সুনামগঞ্জের ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) এবং ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।
কর্মক্ষেত্রে যদি নিরাপদ পরিবেশ না থাকে, তাহলে কাজ অগ্রসর হবে কিভাবে আর দেশ এগোবে কী করে?
শুক্রবার রাতে হামলার ঘটনার পর থেকে নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এদিকে সেবা কার্যক্রম সচল রাখতে মিড লেভেলের চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন।
হামলার ঘটনা তদন্তে শনিবার দুপুরে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির।
কথা কথায় এখন মব হয়, সংঘর্ষ বাঁধানো হয়। মূলত এগুলো এখন প্রতিদিনের ঘটনা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৪ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে রোগী এবং স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটি হয়। তারপরেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এতে নারী চিকিৎসকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
তবে তদন্ত করলেও এই ঘটনার প্রকৃত অপরাধী শাস্তি পাবে কিনা সে নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ।
