ঢাকা: জুলাই জঙ্গীদের কথা না বললে সমর্থন পাবেন না, তাই জঙ্গী আন্দোলন, আর ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের কথা বলে মন পাওয়ার চেষ্টা করলেন।

মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার অবৈধ সরকার বসে আছে ক্ষমতার চেয়ারে, যে চেয়ার তারা পেয়েছে বিদেশি মদদপুষ্ট দাঙ্গার মাধ্যমে।

ইসলামিক জঙ্গিদের সহায়তায় এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে।

অবৈধ শাসন, এই যে বিদেশি অর্থায়ন, এই যে জঙ্গি মদদ, এই যে সামরিক সমর্থন, এগুলো মিলে একটা ভয়াবহ মিশ্রণ তৈরি হয়েছে।

এখন সেই জঙ্গলের প্রসঙ্গই তুলছেন তারেক রহমান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ খোলা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি যখন এর আগে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় নামে একটি মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, এক কথায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দেখভাল তারা করে থাকেন।

আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ইনশাআল্লাহ, বিএনপি বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে আগামীতে সরকার গঠনে সক্ষম হলে, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের মানুষগুলো যে কষ্টের কথা তুলে ধরেছেন, তাদের কষ্টগুলো যেন কিছুটা হলেও আমরা সমাধান করতে পারি।

যাদের হারিয়ে ফেলেছি, তাদের তো আমরা ফিরিয়ে আনতে পারব না। কিন্তু যারা পেছনে রয়ে গিয়েছেন, সেই পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধাগুলোর দেখভাল যেন আমরা করতে পারি… এই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়, কারণ তারাও মুক্তিযোদ্ধা, আপনারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই গণ্য।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধারা এদেশ স্বাধীন করতে জীবন দিয়েছিলেন, এদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।

চব্বিশে যে যোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছিল ১৯৭১ সালে, তাকেই আবার রক্ষা করা হয়েছে ২৪ সালে। সেজন্যেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মধ্যেই আমরা আরেকটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করব, যাদের দায়িত্ব হবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *