ঢাকা: সজীব ওয়াজেদ জয় পাতানো ও প্রহসনের নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণকে অংশগ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর অনলাইন প্লাটফর্মে।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য আমরা সরাসরি তুলে ধরলাম।

“বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। আরেকটি নাটকের মাধ্যমে পাতানো নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

ঠিক যেমনভাবে জুলাই-আগস্টে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে উগ্র মৌলবাদী শক্তি ক্ষমতা দখল করেছিল, আজও একই কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে।

এই সরকার নির্বাচনকে গণতন্ত্রের উৎসব বানাতে চায় না। তারা নির্বাচনকে ব্যবহার করতে চায় মৌলবাদ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে। ভোটের বাক্স নয়, পরিকল্পিত স্ক্রিপ্টই এখানে মূল বিষয়। জনগণের মতামত নয়, ইউনুসের সেট করা প্ল্যানই এখানে শেষ কথা।

আজ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সামনে কঠিন কিন্তু স্পষ্ট একটি সিদ্ধান্ত। তারা কি এই সাজানো নির্বাচনে অংশ নিয়ে মৌলবাদকে বৈধতা দেবে, নাকি এই প্রহসন থেকে দূরে থেকে নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করবে? এই প্রশ্নের উত্তর শুধু ভোটকেন্দ্রে নয়, বিবেকের ভেতরেই রয়েছে।

যে নির্বাচনে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে পরিকল্পিতভাবে বাইরে রাখা হয়, সেই নির্বাচন কখনো জনগণের হতে পারে না।

সেটি হয় শুধু ক্ষমতা দখলের কৌশল, রাষ্ট্র দখলের ষড়যন্ত্র। অবৈধ জামাতি ইউনুস ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একটি গুছানো দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

অর্থনীতি, নিরাপত্তা, সামাজিক সহাবস্থান সবকিছু আজ হুমকির মুখে। মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের জন্য জায়গা তৈরি করাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

এই দেশের প্রতিটি বাবা-মায়ের দায়িত্ব তাদের সন্তানের জন্য একটি নিরাপদ, উন্নয়নশীল বাংলাদেশ নিশ্চিত করা। সেই দায়িত্ব পালন করতে হলে মৌলবাদকে না বলতে হবে, জঙ্গিবাদকে না বলতে হবে, আর এই পাতানো নির্বাচনকেও না বলতে হবে।

এটি ভোট বর্জনের ডাক নয়, এটি রাষ্ট্র বাঁচানোর ঘোষণা।
এটি কোনো দলের স্বার্থ নয়, এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

সুতরাং এই অবৈধ, পাতানো নির্বাচন বর্জন করুন।
NO BOAT, NO VOTE”.

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *