ঢাকা: তথাকথিত গণভোট একটি সাংবিধানিক প্রতারণা! রাষ্ট্রযন্ত্র এখন হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করা শুরু করেছে। আমরা প্রতিবেদনে গণভোট নিয়ে আলোচনা করেছি।

মূলত এই গণভোট সত্যের নয় —এটা মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও জুলুমের হাতিয়ার। সকল মিথ্যা ও জুলুমকে না বলুন।

যে ব্যবস্থা মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়, সেটা মঙ্গলের নয়।

কোটি টাকার আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স।
কিন্তু গন্তব্য কোনো রোগী নয়,
গন্তব্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

বাহাত্তরের সংবিধান—যা বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের দলিল—সেটার কফিনে পেরেক ঠোকার চেষ্টা চলছে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ব্যবহার করেই।

জনগণ বলছে, ‘সাজানো নির্বাচনে গণভোট বর্জন করুন, সত্য জানুন’!

এইদিকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস পাগল হয়ে গেছেন গণভোটের জন্য।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”-তে সিল দিন; নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে।’

প্রথম তো সংস্করের নামে রিসেট বাটনে চাপ দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছেন, এখন কথার ধাঁচ একটু পাল্টেছেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ

বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি।

আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি। এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *