ঢাকা: মনে আছে ৫ আগস্ট গণভবনের কী হাল করে ছেড়েছিলো জঙ্গী গোষ্ঠী?
আন্দোলন, বিক্ষোভ মানেই লুটপাট! সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।

এরপর গণভবনের দখল নিয়ে বেপরোয়া লুটপাট চালায় জঙ্গী আন্দোলনকারীরা।

চেয়ার-টেবিলের মতো দামি আসবাবের পাশাপাশি ফুলের টব, এমনকী মায়ের বয়সী হাসিনার অন্তর্বাসও লুট হয়।

এই আন্দোলনকারীরা মানসিক বিকারগ্রস্ত।

এরা চুরি করেছে, আবার ফেসবুকে সেই ছবি দিয়ে স্মৃতি রেখে দিয়েছে।

এক চোর আবার লেখেন ‘আমি আসলেই দুঃখিত। এখন নিজের কাছেই খারাপ লাগছে। আমি যদি চুরি করতাম তাহলে কি পোস্ট করতাম? গণভবনের জিনিস সবাই সুভেনিয়র/ স্মৃতি হিসেবে নিয়ে আসছে। আমিও নিয়ে আসছিলাম রেখে দেওয়ার জন্য। অবশ্যই নিজে পরার জন্য না। এখন মনে হচ্ছে- সেটা এমন কোনো সংস্থা বা জাদুঘরে ফেরত দেওয়া উচিত যারা এইগুলা যত্ন করে রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে বানানো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা অশান্তির জনক।

অবশ্য এখানে মায়ের সমান শেখ হাসিনার অন্তর্বাস চুরি কিংবা, হাঁস, মুরগী, যাবতীয় আসবাব চুরি করা চোরেদের মূর্তি বানিয়ে কিন্তু রাখা হয়নি। জঙ্গী সরকারের বড় আত্মসম্মান।

ইউনূস বলেন, “দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে।”

মঙ্গলবার গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

তারপরেই লেখক তসলিমা নাসরিন তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুকে লিখেছেন,

“ঢাকায় একটি নতুন জাদুঘর হয়েছে। এই জাদুঘরের নাম দেওয়া হয়েছে জুলাই জাদুঘর। একে জিহাদি জাদুঘর নামেও ডাকা যায়।

একে জঙ্গি জাদুঘর, জংলি জাদুঘর, জঞ্জাল জাদুঘর, জগাখিচুড়ি জাদুঘর, জালিয়াতি জাদুঘর নামেও ডাকা যায়। এখন কী নামে জাদুঘরটিকে ডাকবেন, সে আপনিই ঠিক করুন”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *