নরসিংদী: এই দেশে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরের ছবি ধুলোয় মিশে যায়, অপমানিত হয় লাল-সবুজের পতাকা, আক্রান্ত হয় ধানমণ্ডি ৩২, তখন আর মুখে বলতে হয় না এই দেশের শাসক কী অনুসারী?
দেশের বিভিন্ন জেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ও ম্যুরালগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে কোনো কারণ ছাড়াই। শুধু রাজনৈতিক ও আদর্শিক প্রতিহিংসা থেকেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর ক্যান্টিনে শহীদ মধুদার ভাস্কর্যের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
রাজাকার পাকিস্তানপন্থীরা দেশটাকে ছারখার করে ফেলেছে।
তসলিমা নাসরিন লিখেছেন:
১৯৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে সাভারের হেমায়েতপুরে যে ‘বিজয়যাত্রা’ ভাস্কর্য গড়া হয়েছিল, সেটি ২০২৪ সালে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ।
মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিল পাকিস্তানী সেনা, তাঁদের ভাস্কর্যকে ভেঙ্গে টুকরো করেছে পাকিস্তানী সেনাদের গুণমুগ্ধ সেবকেরা।
গোটা বাংলাদেশ মুখ থুবড়ে পড়েছে। আর একে ধর্ষণ করছে একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি, উন্মত্ত জিহাদি গোষ্ঠী”।
সারা দেশে যেভাবে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে স্মৃতিস্তম্ভগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা এখনই কঠোর হস্তে দমন না করলে বাংলাদেশ তার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস হারিয়ে ফেলবে।
