ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেটের কবর দিয়ে দিলো আসিফ নজরুলরা। এখন ক্ষমতা যাওয়ার শেষ সময়ে এসে সাকিব আল হাসানকে দলে নিতে চায়।

ইতিহাসে দেশ ধ্বংসকারী আর ক্রিকেট ধ্বংসকারী হিসেবে এই পাকিস্তানিদের নাম লেখা থাকবে।

ভারতের কাছে আচ্ছামতো ঘাড় ধাক্কা খেয়ে এখন সেই আওয়ামী লীগার সাকিবকে দিয়ে একটা ম্যাচ খেলাতে পারলেই আগের সব আমলনামা মুছে ফেলা যাবে ভেবেছে তারা।

কত দোষ আওয়ামী লীগের! গ্রেপ্তার, হাজারটা ভুয়া মামলা, অপমান- কিন্তু এখন তো আগুন লেগেছে ঘরে তাই সাকিবকে টানা হচ্ছে।

জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে বিসিবির ওপর। তারা বলছে, ‘এই চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিতে হবে। সস্তা রাজনীতি চলবে না’।

পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা আজও অব্যাহত রেখেছে। আওয়ামী লীগকে তো নিষিদ্ধই করা হলো।

তারই ধারাবাহিকতায় তারা লাল-সবুজের পতাকা পরিবর্তন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু বলে জাতীয় সংগীত মোছার ষড়যন্ত্র, ২৬ মার্চ তারা আমাদের স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস মানে না।

এগুলো কি কোটা? না মেধার স্লোগানে বলেছিল?

সাকিব আল হাসান শুধু বাংলাদেশের সম্পদ নয়, ক্রিকেট দুনিয়ার আইকন। শুধু আওয়ামী লীগের এমপি হওয়ার কারণে তাঁকে বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে দূরে রাখা হয়েছে?

না! এটি মূলত সাকিব আল হাসানের মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশের ক্রিকেটর আইকন তথা বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ধ্বংস করার চূড়ান্ত ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। করা হয়েছে পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশনে।

পৃথিবীর কোথাও দেশবিরোধী রাজাকার পাবেন না। যেমন বাংলাদেশে আছে‌। আসিফ নজরুলরা রাজাকারের শাবক, মনে করছে গোটা দেশকে রাজাকার বানিয়ে দেশ থেকে পালাবে।

তারা ডিপ স্টেটের দালালদের সাথে আঁতাত করে পাঁচ আগস্টে হামলার মাধ্যমে ইতিহাস-ঐতিহ্যকেই ধ্বংস করেনি, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ধ্বংসের মাধ্যমে বিশ্ব থেকে বাংলাদেশকে আলাদা করার ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।

কী বলছে বিসিবি?

সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পরবর্তী সিরিজগুলোতে জাতীয় দলের হয়ে খেলার ক্ষেত্রে সাকিবকে বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিসিবির জরুরি বোর্ড সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আমজাদ হোসেন।

তিনি জানান, বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাকিব আল হাসানকে তাঁর অ্যাভেইলেবিলিটি, ফিটনেস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্ত সাপেক্ষে জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য বিবেচনা করা হবে।

আমজাদ হোসেন বলেন, ‘বোর্ডে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সাকিব আল হাসানের ফিটনেস, অ্যাভেইলেবিলিটি এবং যেখানে খেলা হবে সেখানে তাঁর উপস্থিত থাকার সক্ষমতা থাকলে নির্বাচন প্যানেল তাকে পরবর্তী সিরিজের জন্য বিবেচনা করবে।’

তিনি আরও জানান, সাকিব যদি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে চান, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী বিসিবি এনওসি প্রদান করবে।

এবং সাকিব আল হাসানকে আবারও কেন্দ্রীয় চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে বিসিবি। তাঁর বিরুদ্ধে চলমান মামলা ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন আমজাদ হোসেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *