ঢাকা: অবৈধ জামাতি ইউনুস–আসিফ নজরুলের দায়িত্বহীনতা ডুবাচ্ছে দেশের ক্রিকেট। এরা সারা দেশটাকেই ডুবিয়ে ফেলেছে।
আইসিসির বোর্ড সভায় বাংলাদেশ ইস্যুতে ভোটাভুটিতে দেশকে কার্যত একঘরে করে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গী পাকিস্তান ছাড়া কারো সমর্থন পায়নি বাংলাদেশ। এবং এটাই স্বাভাবিক।
১২টি পূর্ণ সদস্য ও ৪টি সহযোগী দেশের মধ্যে ভোটে বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র ২টি সমর্থন। ফলাফল, ১২–২ ব্যবধানে নির্লজ্জ পরাজয়।
এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত ব্যর্থতার ফল।
আসলে বাংলাদেশ তার নিজের কপাল নিজেই খাচ্ছে।
অবৈধ জামাতি ইউনুস ও তার উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের অপরিণামদর্শী রাজনীতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ধ্বংস করেছে।
সবদিক থেকে বিশ্বে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে দেশ।
এক সময় যে বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্মান, সহমর্মিতা আর সমর্থন পেত, আজ সেখানে নিঃসঙ্গতা আর অবজ্ঞা। পাকিস্তানের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই অবস্থা হয়েছে।
এখন আর কোনো উপায় নেই। তাই আওয়ামী লীগার হলেও সাকিব আল হাসানকে ধরেছে।
আর বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও কোনো আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেবে না বোর্ড।
নিয়েও কোনো লাভ হবে না।
আইসিসির সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে বিসিবি কোনো সালিশী বা আইনি ব্যবস্থা নেবে, এমন আলোচনা কয়েক দিন ধরেই ছড়িয়ে পড়েছিলো।
তবে আইসিসি বোর্ডে ১৪-২ ভোটে হেরে গিয়ে যে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, সেটি বদলে দেওয়ার আইনি ভিত্তি আদৌ আছে কি না, সংশয় ছিল সেসব নিয়েও।
অবশেষে বিসিবি পরিচালক ও বোর্ডের মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন জানালেন, বিসিবির পক্ষ থেকে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
“আমরা আইসিসির বোর্ডের সিদ্ধান্তই মেনে নিয়েছি। যেহেতু আইসিসি বলেছে যে, আমরা খেলতে যেতে পারব না বা শ্রীলংকায় আমাদের খেলা স্থানান্তর করতে পারবে না তারা, এই ক্ষেত্রে আমরা ভারতে গিয়ে খেলতে পারছি না। আমাদের অবস্থান ওখানেই আছে। এখানে আমাদের আর আলাদা কোনো আরবিট্রেশন বা কিছুর মধ্যেই আমরা যাচ্ছি না।”
