মেহেরপুর: অস্ত্র, ধর্ষণ করে ইনসাফ কায়েম করতে চায় জামায়াত। ইউনূসের হাত ধরে এরা এখন দেশের মাথা হয়ে বসেছে।‌ সরকার চালাচ্ছে এরাই। জঙ্গীদের হাত ধরে এগিয়ে চলেছেন ইউনূস।

নির্বাচনের আগে মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা তাজ উদ্দিন খানের ব্যবহৃত একটি নোহা মাইক্রোবাস থেকে বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

সরঞ্জাম অর্থাৎ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। মাইক্রোবাস থেকে চাইনিজ কুড়াল এবং দেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ তিন কর্মীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। এ ছাড়া জব্দ করা হয় গাড়িটি।

সোমবার সকালে শহরের হোটেল বাজার চার রাস্তার মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশির সময় তাদের আটক করা হয় বলে জানান মেহেরপুর সদর থানার এসআই বিএম রানা।

তারা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের মেহেরপুরে আগমন উপলক্ষে শহরের হাইস্কুল মাঠে সমাবেশে যাচ্ছিলেন বলে জানান তিনি।

তা সমাবেশে গেলে অস্ত্রের কী কাজ? ইউনূস বা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশ্য এইসব কিছু বোঝেন না। নির্বোধ দিয়ে দেশ চলছে।

আটকরা হলেন- বাংলা এডিশনের জেলা প্রতিনিধি ও জামায়াত কর্মী সেলিম রেজা (২৭), জেলা জামায়াতের ইসলামের আমির তাজউদ্দিন খানের ফেইসবুক পেইজের এডমিন শাহারুল ইসলাম এবং গাড়ি চালক ইজারুল হক।

যৌথ বাহিনীর তল্লাশিতে মাইক্রোবাস থেকে উদ্ধার করা হয়—
তিনটি ফোল্ডেবল স্টিক,
একটি ইলেকট্রিক শকার,
চারটি ওয়াকিটকি,
একটি মাল্টি-টুল,
একটি প্লাস,
একটি ধারালো চাইনিজ কুড়াল,
একটি ক্যামেরা ও চার্জার।

তবে আটক করলেও অপরাধীদের ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। চাপের মুখে তাদের ছেড়ে দিতে হয়।

দলের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন দাবি করেন, সেগুলো নাকি আত্মরক্ষার জন্য ছিলো।

“গাড়িতে থাকা সরঞ্জামগুলো আত্মরক্ষামূলক কাজে ব্যবহারের উপকরণ। এগুলোকে অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা যায় না”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *