ঢাকা: নির্বাচন বানচাল কারা করতে চায়, কারা নিজের কর্মীকে হত্যা করে অন্য দলের নাম দিয়ে পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে তুলতে চাইছে তা দেশবাসী জানে।
জামায়াতে ইসলাম ও এনসিপি সরাসরি ঘোষণা না দিয়েও এমন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যার স্বাভাবিক ফল হচ্ছে নির্বাচন বানচাল হওয়া।
যদি এই ধারা চলতে থাকে, তাহলে নির্বাচন ব্যর্থ হওয়াকে দুর্ঘটনা বলা যাবে না।
নির্বাচনের আগে শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ঘটনায় একজন জামায়াত নেতা নিহত হয়েছেন।
শেরপুরের শ্রীবরদী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল লতিফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, “ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে তিনি আহত হয়েছেন। শুনেছি, তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।”
নিহত জামায়াত নেতার নাম রেজাউল করিম। তিনি শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।
এর আগে বুধবার বিকালে শেরপুর-৩ আসন থেকে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নিয়ে ‘নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে’ জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এদিকে জামায়াত অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে যাচ্ছে যথারীতি।
এ ঘটনায় জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করে বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ৩০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
অন্যদিকে, বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, উগ্রবাদী, জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
জামাতিরা অনলাইনে এসে বলছে জামায়াত এর উপর নাকি বিএনপি হামলা করেছে। অথচ এটা একটা সংঘর্ষ ছিলো। একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি শুরু হয়।
সেই মারামারিতে উভয় দলের কর্মীরাই আহত হয়েছেন। এবং জামায়াতের এক কর্মী নিহত হন। অবশ্য লাশ চায় তারা নির্বাচনে সুবিধা হবে তাই। এছাড়া আর কিছুই না।
