বাংলাদেশের রাজনীতি বিশেষ করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘ ইলেকশনের নামে সিলেকশন’ এর দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গভীর সংকটে পতিত হচ্ছে রাজনীতি ও দেশ। প্রতিনিয়ত দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট।
আর এর পেছনে ইউনুস-জামায়াত যে প্ল্যান করে এগোচ্ছে তার থেকে বের হওয়ার কোন পথ পাচ্ছেনা বিএনপি।
বিএনপি’র নতুন চেয়ারম্যান সাবেক সিএমএলএ ( চীফ মার্শাল ল এ্যডমিনিষ্ট্রেটর) প্রয়াত জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান ১৭ বছর লন্ডনে পলাতক থেকে দেশে ফিরে মনে করেছিলেন তিনি ও তার দলই রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবেন।
কিন্তু সেই তারেক রহমান ও বিএনপি যে ফাঁটা বাঁশের চিপায় আটকে যাবেন তা আর বুঝতে পারেননি।
ইউনুস-জামায়াত-এনসিপি-জঙ্গী সেনাবাহিনীর যে বলয় রয়েছে সেই বলয়ের বাইরে যেতে পারবেনা বিএনপি ও তারেক রহমান। তাকে সেই বলয়ের মধ্যেই থাকতে হবে।

আসলে বিএনপি কি কখনো তার আপন মায়ের পেটের খালাতো ভাই জামায়াতে ইসলামীকে ছাড়া বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে? না তা সম্ভব দলটির পক্ষে? আসলে তা কখনোই সম্ভব নয়।
তাই গত ২০২৫ সালে জঙ্গী-প্রতারক ইউনুস লন্ডনে গিয়ে তারেক রহমানকে যে মুলা ঝুলিয়ে লোভ দেখিয়েছিলেন তাতে আর লোভ সামলাতে পারেননি মিস্টার টেন পার্সেন্ট খ্যাত তারেক রহমান।
বিএনপি নেতা-কর্মীরাও তাদের নেতা তারেকের দেশে ফেরার দিন বিশাল জনস্রোত আর সরকারের দেয়া বিশাল নিরাপত্তার বহর দেখে অনেকটা ‘বে-দিশা ’ হয়ে পড়েছিলেন।
তাদের অনেকেই মনে করেছিলেন- আরে বিএনপি ছাড়া আর কে ক্ষমতা নেবে সামনের ইলেকশনে। আসলে তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ‘ সিলেকশন’কে ‘ইলেকশন’ মনে করেছিল।

আসলে যে ১২ ফেব্রুয়ারি কি অপেক্ষা করছে তা তো তারা (বিএনপি ও তারেক রহমান) নিজেরাই জানেনা।
একদিকে মাঠপর্যায়ের নেতা কর্মীরা “না” ভোটের পক্ষে। এমনকি এ নিয়ে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ভোটারদের কাছে গিয়ে ধানের শীষ প্লাস ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
কিন্তু ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার রাতে রংপুরে ইলেকশনের ক্যাম্পেইন মিটিংয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জনসভায় ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
এখন কি হবে বিএনপির মাঠপর্যায়ের নেতা কর্মীদের ? তারা কি করবেন এখন ?
প্রথম আলোর অনলাইন এডিশনে দেখলাম তারা লিখেছে- ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি জুলাই সনদের সম্মানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বিএনপি সংস্কার নিয়ে লুকোছাপা করেনি। গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার রাতে রংপুরের নির্বাচনী জনসভায় এসে প্রথমবারের মতো তারেক রহমান ‘হ্যাঁ-ভোট’ দেওয়ার আহ্বান জানালেন।’
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ডামাডোলে ক্ষমতায় যেতে মরিয়া বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর রাজনৈতিক চালে যে আত্মঘাতি ঘোষণাটি দিলেন এ জন্য তাঁকে চরম মাশুল দিতে হবে।
এটি শুধু বিএনপি’র জন্য নয় বাংলাদেশের রাজনীতিকে আরেকবার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিলেন বিএনপির এই নবীন চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ এমনটাই বলছেন।
অথচ আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দেখেছিলাম যে চট্টগ্রামে নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান ‘না’ ভোট দেয়ার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন।
তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ( হ্যাঁ/না ভোট) দিন গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার দেওয়ার আহ্বান জানান।
গত ২৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনরত প্রভাবশালী এই নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।
তিনি তার ফেসবুক পোষ্টে লেখেন‘গণভোট প্রতারণার ফাঁদ, জোর করে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি না ভোটের পক্ষে। গণতন্ত্র আর দেশের স্বার্থে আপনিও না ভোট দিন।’
তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই তাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ সমালোচনাও করছেন। তবে তার আহ্বানের পক্ষের পাল্লাই ভারি।
প্রসঙ্গত দলীয়ভাবে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারি দল।তাই স্বাভাবিকভাবে সেই দলের একজন নেতা গণভোটে “না” এর পক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে ফেইসবুকে পোষ্ট দেয়াটি বেশ আলোচনার ঝড় তুলেছে।
তবে না ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, প্রশ্নের উত্তরে নাজিমুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।’
জানতে চাইলে না ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন,“হ্যাঁ” ভোট দিলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত দলকে আরও ছয় মাস অপেক্ষায় থাকতে হবে।
ছয় মাস বাড়তি সময় পাবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। তারা মানুষের ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত দল ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারবে না। এসব বিষয় বিবেচনায় আমি না ভোটের পক্ষে।’
অবশ্য বাংলাদেশে গণভোটের রাজনীতির ইতিহাসে কখনো কি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বদলে ‘ না’ ভোট জয়ী হয়েছে ? হয়নি। কারণ শাষক বা সরকার বা যারা এই কথিত গণভোটের নেপথ্য আয়োজনকারি তারা তো সব ধরনের মেকানিজম করেই রেখেছিল সবসময়। ভবিষ্যতেও তাই হবে। এ আর এমন নতুন কি?
গণভোট নামক এই প্রহসনের ইলেকশনের নামে যে ‘ সিলেকশন’ কে জয়ী করা হবে তাতো জানে সবাই। সুতরাং এ নিয়ে অত না ভাবলেও চলবে।
যদি বাইচান্স আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ইলেকশনের নামে ‘সিলেকশন’ মহড়া হয়েই যায় তবে তা যে ইউনুস-জামায়াত ও তাদের বিদেশী প্রভুদের ইশারা মতোই হবে। এটাও স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে বিএনপি কি পাত্তা পাবে বলে মনে হয় ?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে তাড়ানো হয়েছে। সেইসাথে আওয়ামীলীগকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অফিসিয়ালি আওয়ামীলীগ অনুপস্থিত। আনঅফিসিয়ালি যাই হোকনা কেন ।
তবে আপাতত মাইনাস আওয়ামীলীগ। তো দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডন প্রবাস থেকে মহাসমারোহে দেশে ফেরার পর বিএনপি ও তারেক রহমান যদি মনে করে থাকেন যে খুব সহজেই তারা ক্ষমতায় বসে যাবেন বা যেতে পারবেন তা ছিল অত্যন্ত অদূরদর্শী ও অপরিপক্ক-অনভিজ্ঞ রাজনৈতিক চিন্তাচেতনার ফসল।
৩০ জানুয়ারি বিএনপির নবীন চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দেয়ার জন্য তার দলের নেতা-কর্মী ও সাধারন সমর্থকদের যে আহ্বান জানালেন তা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে ফেইসবুকে।
আসলে গণভোটের নামে ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নামে যে তামাশার আয়োজন করা হচ্ছে সেটি কমবেশিতো সচেতন ভোটাররা বুঝতেই পারছেন। গণভোটে কেউ ভোট দিতে না গেলেও সবসময় ‘হ্যাঁ’ ভোটই জয়যুক্ত হয়-হয়েছে এবং হবে।
এটাই প্রথা (!!)- এটি তারেক রহমান যেমন জানেন তেমনি এদেশের সাধারণ সচেতন নাগরিকগণও জানেন। কারণ সরকারের চেয়ে বড় মাস্তান আর কে আছে বলুন? আর সেই মাস্তানদের নাটের গুরু হচ্ছে শান্তির নোবেল লরিয়েট ড.মুহাম্মদ ইউনুস সুদখোরি।
এ পরিস্থিতি কারো কারো মন্তব্য হচ্ছে এমন- তারেক রহমানের দুই কানে নাকে দঁড়ি বাঁধা। সীমারেখার মধ্যে থেকে তাকে দেশে থাকতে হবে ও নির্বাচন করতে হবে। এই নির্বাচনে তারেক জিয়াকে রাখা হয়েছে ‘শো পিস্’ হিসাবে অর্থাৎ জামাতের একটা প্রতিদ্বন্দ্বীর দরকার তাই….।

অতএব, তারেক জিয়া কখন কি বলবে সেটার স্ক্রিপ্ট আগেই তৈরি করে দেওয়া হয়। পাবলিক জানে নির্বাচন হচ্ছে; আসলে কিসের নির্বাচন কাদের নির্বাচন হচ্ছে এটা তো সচেতন মহল বুঝে গেছে অনেক আগেই অর্থাৎ তারেক জিয়াকে দেশে আসতে অনুমতি দেওয়ার পরপরই বুঝে গেছে।
এবার একটু ইউনুস- জামায়াত- এনসিপি-সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত কথিত গণভোট নিয়ে আলোচনায় আসি। সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ( অপদেষ্টা বলেন অনেকে) থেকে শুরু করে তার বশংবদ অপদেষ্টারাতো প্রচারণা চালাচ্ছেনই।
সেইসাথে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনযন্ত্রকেও কাজে লাগানো হচ্ছে। যা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। এই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় সরকারের পক্ষ থেকে ভোটারদের বলা হচ্ছে—“হ্যাঁ ভোট দিলেই পরিবর্তন আসবে”।
কয়েকদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এ নিয়ে রেডিও টেলিভিশনে প্রচারের জন্য একটি ভিডিও বার্তাও দেন। যেখানে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে দেশ এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে .. ইত্যাদি ইত্যাদি।
ইউনুসীয় সংস্কার, জুলাই সনদ, গনভোট ইত্যাদি নেয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকেই। এদের মধ্যে অনেকে সেই কথিত জুলাই বিপ্লবের ঘোরতর সমর্থকও ছিলেন।
তাদের বোধ হয় সম্প্রতি সে ঘোর কেটেছে , অথবা ভবিষ্যতে জনতার রুদ্ররোষ থেকে বাঁচার জন্যও এমন অবস্থান নিয়ে থাকতে পারেন। তবে গণভোটের ব্যাপারে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের একটি সতর্কবার্তা বা নিয়ম-নীতি সম্পর্কিত আদেশনামা দিয়েছে।
তাতে বলা হয়েছে- কমিশনের বক্তব্য: “প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন; তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’এর পক্ষে বা ‘না’ এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনভাবে আহবান জানাতে পারবেন না।
কেননা, এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।”
এটি দেখে কেউ কেউ পুলকিত বোধ করছেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে তা হতে পারছিনা। কারণ- নির্বাচন কমিশনের ঘাড়ে কয়টি মাথা ? তাদের যে ঘাড়ে মাথাটি থাকবেনা তারা তা ভালোভাবেই জানেন।
আসলে এই যে কমিশনের সতর্কবার্তা বা নিয়ম-নীতি সম্পর্কিত আদেশনামা প্রচার হলো এটিও মূলত ‘ইউনুসীয় মেটিকুলাস ডিজাইন’এরই অংশ। এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকুন। এটি করা হচ্ছে মূলত বহির্বিশ্বে সরকার ও তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন নির্বাচন কমিশনের ( যদিও বলা হয়ে থাকে স্বাধীন) কথিত স্বাধীন সত্ত্বা দেখানোর জন্য।
এই যে এতসব আয়োজন তাতে কি আপনাদের মনে হয় যে সত্যি সত্যি ১২ ফেব্রুয়ারি ইলেকশন মানে সিলেকশনের মহড়া চলবে? অপেক্ষা করি কি হয় তা দেখার জন্য।
তবে কেউ যদি মনে করে থাকেন যে, ইলেকশন শেষ হলেই এই ইউনুসীয় সরকারের বিদায় নেবে তাহলে বোধ হয় ভুল ক্যালকুলেশন হবে সেটি। কারণ আগামী মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে জাপান সফরে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রী আকি আবে রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা এ কথা জানিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা এ খবর দিয়েছিল।
তাহলে বুঝুন বিষয়টি। আমাদের শান্তির (!!) নোবেল লরিয়েট ইউনুস এখনি বিদায় নেবেন না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনভাবে ইলেকশনের নামে সিলেকশনটি অত্যন্ত সুচতুরভাবে করে ফেলতে পারেন ইউনুস তাহলে তিনি ধান্ধায় থাকবেন ক্ষমতাবান রাষ্ট্রপতি হওয়ার। আপাতত সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এগোচ্ছেন এই চরমভাবে প্রতিশোধপরায়ণ-লোভী ড. ইউনুস।
# নুরুল ইসলাম আনসারি: লেখক, প্রাবন্ধিক।
