ঢাকা: কর্মজীবী নারীদের বেশ্যা ডাকে শফিক। সাদা ধবধবা দাড়িওয়ালা আল্লাহর বান্দা শফিকুর রহমান ধর্মের ব্যবসা করেন। জামায়াত চিরদিন নারীদের পতিতা বা বেশ্যার চোখেই দেখে এসেছে।
তাদের কাছে নারী গণিমতের মাল বা ভোগ্যপণ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। আর কর্মজীবী নারীরা তো এদের চোখে আরো বেশ্যা।
জামায়াত জয়ী হলে দেশের নারীদের কী পরিস্থিতি হবে তা অনুমেয়।এমনিতেও বর্তমানের পরিস্থিতি ভালো একথা বলতে পারবো না। খুব কঠিন অবস্থা দেশের।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের বেশ্যা বলেছেন।
তবে বেশ্যা বলে যখন জনগণূর রোষের মুখে পড়েছেন তখন ঠিক কথা পাল্টে ফেললো এরা।
অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলসহ দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। বলা হলো তাই।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ক্যাম্পেইন টিম নিশ্চিত করেছে যে, সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলসহ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
অত্যন্ত সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে জামায়াত আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ এবং বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের সাইবার টিম অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে সক্ষম হয়।
ফলে অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এবং প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
তারা আরও বলেন, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট প্রকাশিত হয়, যেখানে জামায়াত আমিরের নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, উক্ত পোস্ট/কনটেন্ট জামায়াত আমীরের কোনও বক্তব্য, মতামত বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। আমি এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনুরোধ করছি, ভুয়া খবর, জাল উদ্ধৃতি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন।
মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, পরিচয় জালিয়াতি করা এবং বিকৃত কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় এবং নৈতিকভাবে নিন্দনীয়। এগুলো গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
সবশেষে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সবার প্রতি অনুরোধ, শুধু অফিসিয়াল ও বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করুন।
যাচাই ছাড়া কোনও কনটেন্ট শেয়ার করবেন না এবং সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দেখলে তা রিপোর্ট করুন। ক্যাম্পেইন টিম স্বচ্ছতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে আরও তথ্য জানানো হবে।
এর আগে, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে নিজের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ধরা পড়ে কোথাও নিজেকে লুকোবেন খুঁজে পাচ্ছেন না।
জামায়াত আমির এক এক্স পোস্টে জানান, হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে তার বিরুদ্ধে সেসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা পুরোপুরি ভুয়া ও মনগড়া।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, আমার অ্যাকাউন্টটি সম্প্রতি হ্যাক করা হয়েছিল এবং সেখানে আমার নামে ভুয়া কিছু লেখা প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’।
নিজেদের অপরাধ ঢাকার জন্য কথায় কথায়, একাউন্ট হ্যাক হয়ে গেছে , এমন ইল-লজিক্যাল এক্সকিউজ হতে বিরত থাকলেই ভালো এরা।
