ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন।
এবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চালু করা অনলাইন–ব্যবস্থার গুরুতর ত্রুটিতে প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে।
এটা শুধু উন্মুক্ত হওয়া নয়, জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যাওয়া।
সাংবাদিকদের সব তথ্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ছবি, স্বাক্ষর, জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট তথ্য—সমস্তটা দুই ঘণ্টার মতো ছিল প্রকাশ্যে।
ইসির ওয়েবসাইটে করা সাংবাদিকদের আবেদনের মধ্যে ছিল ছবি, স্বাক্ষর, জাতীয় পরিচয়পত্র, অফিসের পরিচয়পত্র, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত সাংবাদিকের তালিকাসহ প্রতিষ্ঠান–সংশ্লিষ্ট তথ্য।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দোষ চাপাচ্ছেন “অ্যাডমিন ভুল করেছে” বলে। এতটুকুতেই শেষ!
এই ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য এখন কোথায় গেছে? এই তথ্যগুলো কপি হয়ে গেছে কিনা, ডাউনলোড হয়েছে কিনা, কোনো জঙ্গীর হাতে গেছে কি না—এর জবাব কে দেবে? এতবড় বিপদের দায় কে নেবে?
বিষয়টিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বহীনতার সরাসরি প্রমাণ বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের প্রসিকিউটর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা।
