ঢাকা: মূলত জামায়াতে ইসলামী রাজাকার। তারা চিরকাল নারীকে ভোগ্যপণ্য মনে করে এসেছে। সেই দৃষ্টিতেই নারীকে দেখে।

আর কর্মজীবী নারী তো তাদের চক্ষুশূল।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) লেখেন, নারীর প্রশ্নে, জামায়াতের অবস্থান বিভ্রান্তিকর বা ক্ষমাপ্রার্থী নয় – এটি নীতিগত। আমরা মনে করি না, নারীদের নেতৃত্বে আসা উচিত। জামায়াতে এটা অসম্ভব। আল্লাহ এটার অনুমতি দেননি।

তিনি আরও লিখেন, আমরা বিশ্বাস করি যে আধুনিকতার নামে যখন নারীদের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়। এটি পতিতাবৃত্তির আরেকটি রূপ।

সোশ্যাল মিডিয়ার অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং নারীদের পণ্যে পরিণত করা অগ্রগতির লক্ষণ নয় – এগুলি নৈতিক পতনের লক্ষণ।

শেষে তিনি জানান, আমরা অনৈতিকতার সাথে আপস করতে অস্বীকার করি, তা যতই ফ্যাশনেবল হোক না কেন।

এই লেখায় জনগণের সমালোচনায় পড়ে পোস্টটি ডিলিট করে একাউন্ট হ্যাক হয়েছে দাবি করে পোস্ট করে তার এডমিন প্যানেল।

তবে এটি যে পুরোপুরি মিথ্যা তা সারাদেশ জানে।

জামাতের আমির তার হ্যাক হওয়া টুইটার একাউন্ট ৫ মিনিটের মধ্যে কীভাবে ব্যাক করলেন?

এক পোস্টেই হ্যাক আরেক পোস্টেই ব্যাক।

এদিকে আবার সাফাই দেয়া শুরু করেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, হ্যাক হওয়া পোস্টের কারণে যদি কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

তিনি জানান, তার ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করে সেখান থেকে মায়েদের নিয়ে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য ছড়ানো হয়।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) শেরপুরের শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ শুরু করে মিছিল করেছে। যারা প্রকৃত অর্থে মায়েদের সম্মান করে না, তারাই এই পরিস্থিতিকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *