ঢাকা: নারীর নিরাপত্তা নিয়ে সব দল এখন কথা বলা শুরু করেছে। ভোটের আশায় এ ওকে দোষ দেয়, ও তাকে দোষ! অথচ কোনো দলই চায় না নারী নিরাপদে থাকুক।

জামায়াতের শফিকুর রহমান তো সরাসরি নারীদের পতিতা বলেছেন। অবশ্য এদের চরিত্রই তাই।

মূলত ভোটের আগে নারী এবং হিন্দু এই দুটো ইস্যু নিয়েই কথা বলতে দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ এই দুটো কার্ড দেখিয়ে কোনোরকমে যদি দখল নেয়া যায়।

রাজাকার শফিকুর রহমান কী বলেছেন একবার দেখবো:

একদিকে গায়ে হাত আরেক হাতে ফ্যামিলি কার্ড নারীরা চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি তো জনসমক্ষে খুব নারীদরদী হয়েছেন, বুকে বোরখা পরা নারীদের জড়িয়ে ধরেছেন। তাঁর মুখেই আবার নারী নিরাপত্তার কথা!

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল-কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড, আরেক হাতে মায়ের গায়ে হাত; আমার মায়ের মর্যাদার চেয়ে ওই ফ্যামিলি কার্ডের কোনো মূল্য নেই।

তিনি বলেন, আমাদের মায়েদের গায়ে হাত দিলে আগুন জ্বলে উঠবে। ভয় দেখিয়ে আমাদের গতিপথ পরিবর্তন করা যাবে না।

জামায়াত আমির বলেন, যুবসমাজ যে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল, তাদের মূল দাবি ছিল ন্যায্যতা। যারা সে ন্যায্যতা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে এবং আল্লাহর দেওয়া বিধানের আলোকে বাংলাদেশকে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় জামায়াতে ইসলামী।

এদিকে, সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্পষ্ট আহ্বান, বাংলাদেশকে যদি বাঁচাতে হয় এবং দেশের মানুষকে যদি নিরাপদে বেঁচে থাকতে হয়, তাহলে আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, “আপনারা কেউ ভোট দিতে যাবেন না। ভোট না দিলে এই নির্বাচন সফল হবে না। জামাত থেকে বাঁচতে চাইলে এটাই লাস্ট চান্স।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *