ঢাকা: একে একে কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিচ্ছেন উপদেষ্টারা।
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়নি এখনো, তবে মেয়াদ যাই হোক একের পর এক উপদেষ্টারা কূটনৈতিক বা লাল পাসপোর্ট সমর্পন করছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, হতে পারা যেকোনো পরিস্থিতি এড়াতে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতির ইঙ্গিত এটা। আগে থেকেই সতর্ক হয়ে যাচ্ছেন উপদেষ্টা নামক অপদেষ্টারা।
এত তাড়াহুড়ো শুরু হয়েছে বিষয়টা নিয়ে, যা খুবই সন্দেহজনক ঠেকছে।
জানা গিয়েছে, প্রায় ৮ জন উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন।
তাঁরা হলেন:
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান
শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
তথ্য ও সম্প্রচার এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
এই ঘটনায় কারো কারো বক্তব্য: ক্ষমতা ছাড়ার পর সম্ভাব্য আইনি, প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক জবাবদিহি এড়ানোর জন্যেই আগেভাগে বিদেশ যাত্রার পথ খোলা রাখার চেষ্টা চলছে।
উপদেষ্টারা যদি এতটাই স্বচ্ছ হতেন, তাহলে এই আয়োজন কেন?
এর মধ্যে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাফাই গাইছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি কূটনীতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন, তবে তিনি কোথাও ‘যাবেন না’।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার ‘হিড়িক’ নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, না না, হিড়িক না। আমি দিয়ে দিয়েছি। আমি আর যাব না কোথাও, সেটা এক নম্বর। আমার স্বাস্থ্যটা খুব ইসে না, আপনি জানেন।
আমি আর এমন জরুরি কিছু না। আমি সাধারণত জরুরি মিটিং ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যাই না। সেজন্য আমি দিয়ে দিয়েছি, অনেকেই দিয়ে দিচ্ছে। এটা নিয়ম হল, দিয়ে দেওয়া।
