নোয়াখালী: মাদ্রাসায় ধর্ম শিক্ষা হয় না। ধর্মের নামে হয় ধর্ষণ, ধর্মের নামে হয় বোমা বানানো। ধ্বংস!
শিক্ষকদের দ্বারা প্রতিনিয়ত শিশুগুলো ধর্ষণের শিকার হয়।
লেখক তসলিমা নাসরিন বলেন, ‘মাদ্রাসাগুলোয় ধর্ষকদের শিক্ষক হিসেবে চাকরি দেওয়া হয়। এই সিস্টেম বন্ধ হওয়া দরকার’।
নোয়াখালীতে ঘটেছে এবার ঘটনা। নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদরাসায় এক ছাত্রীকে (৫) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তার মো.রুহুল আমিন (২৩) সুবর্ণচর উপজেলার পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের হাজেরার বাপের বাড়ির মো. আবুল কালামের ছেলে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে আসামিকে উপজেলার কালাদরাফ ইউনিয়নের উত্তর শুল্লুকিয়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কালাদরাফ ইউনিয়নের একটি মাদরাসায় এই ঘটনা ঘটে।
জানা গিয়েছে, মাদরাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্রী বিরতির সময় মাঠে খেলছিল। ওই সময় মাদরাসার শিক্ষক মো. রুহুল আমিন তাকে মাদরাসার অফিস রুমের পশ্চিম পাশের একটি শ্রেণিকক্ষে নিয়ে যান।
সেখানে অভিযুক্ত শিক্ষক ঐ ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
ঘটনার পর সে বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরে তিনি সুধারাম থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
তবে গ্রেপ্তারেই শেষ কথা নয়। এমন ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে। এমনকি ছেলে শিশুরা পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। তবুও কোথাও প্রতিবাদ নেই, প্রতিবাদ করলেই ধর্মবিরোধী ট্যাগ লাগিয়ে দেয়া হবে। তাই ভয়েই প্রতিবাদ হয়না।
