ঢাকা: বহুদিন পিঠ বাঁচিয়ে চলে নিজের ফায়দা লুটেছে এই মহিউদ্দিন রনি। যে কিনা নিজেকে হাদি পরিচয় দেন।
ভোটের আগে দেশবাসীর করুণা আদায়ের চেষ্টা করে যাচ্ছে এই অপশক্তি।
তবে এবার পুলিশের হাতে রেহাই পেলো না। বেদম পেটায় পুলিশ এই মিথ্যাবাদী, সুযোগসন্ধানীকে।
ইনকিলাব মঞ্চের জাবের,জুমা, শান্তা, সালাউদ্দিন আম্মার এবং ঢাকা ১৮ এর প্রার্থী মহিউদ্দিন রনি সকলের পরিচিত মুখ। পরিচিত মুখ এই কারণে যে এরা দেশ ধ্বংসের কারিগর।
এখন অন্যায়ের প্রতিরোধ যখন পুলিশ করলো তখন পুলিশ হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের স্বৈরাচার।
অথচ যখন হিন্দুদের পুড়িয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে, পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখছে- সে বিষয়টা তাদের কাছে ভালো। তাতে দোষের কিছু নেই। এইসব দ্বিচারিতা নিয়ে দেশ চলছে।
শুক্রবার বিকেলে যমুনা অভিমুখে যাওয়া জামাতি শাখা ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর প্রথম দফায় পুলিশ হামলা চালায়। জামাতের ইশারায় এরা ওঠে বসে।
এরপর সন্ধ্যায় শাহবাগে অবস্থান নেয় ছাত্র-জনতা আন্দোলনকারীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে।
এর মধ্যে নায়ক মহিউদ্দিন রনি আসেন। এই ষড়যন্ত্রকারীকে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্য বেধড়ক লাঠিপেটা শুরু করেন।
এদিকে, ইনকিলাব মঞ্চের ওপর পুলিশের হামলাকে ন্যক্কারজনক আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এইসব কথা বলা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, শহীদ শরিফ ওসমান হাদী হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলমান শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির ওপর পুলিশের ন্যক্কারজনক ও বর্বর হামলার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ন্যায্য বিচার দাবির আন্দোলন দমন করার এই দুঃসাহসিক অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
এনসিপির সহানুভূতির কারণ ইনকিলাব তাদের ভাই।
