ঢাকা: নির্বাচন মানে শব্দদূষণ নয়।
নির্বাচন মানে দেয়াল নষ্ট করা নয়।
নির্বাচন মানে মানুষকে বিরক্ত করা নয়।
ভালো প্রার্থী হলে নীরবতাও যথেষ্ট। এত চিৎকার করে মানুষ জাগানোর কোনো দরকার নেই।
শিশুরা এবং বয়স্কদের সবচেয়ে বেশি অসুবিধা অতিরিক্ত শব্দে।
তবে কোথাও কোথাও হ্যাণ্ড মাইক ব্যবহার হচ্ছে।
তাছাড়া এমনি মাইকিং নির্বাচনী শব্দদূষণ স্বাভাবিক জীবনযাপনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। রাত ৮টার পর মাইকের ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও সেগুলো আর কে মানছে?
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোয় শব্দদূষণ নাগরিক দুর্ভোগের বড় উৎস।
ভীষণ শব্দ চারদিকে। শব্দদূষণ থেকে রেহাই পাচ্ছে না আবাসিক এলাকা, বাজার, সরকারঘোষিত নীরব এলাকা ও হাসপাতালও।
অথচ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এ বলা আছে, প্রচারণায় মাইক, সাউন্ড সিস্টেম ও লাউডস্পিকারের ব্যবহার বেলা ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। প্রচারণায় ব্যবহৃত শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রের মাত্রা ৬০ ডেসিবল অতিক্রম করতে পারবে না।
তবে এই দেশে কেউ নিয়মের ধার ধারে না।
তবে কোথাও কোথাও ট্রেন্ডে চলছে হ্যান্ড মাইক।
প্রচারণায় নতুন এই ট্রেন্ডের প্রভাবে সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ইলেকট্রনিক্স মার্কেটগুলোতে হ্যান্ড মাইকের চাহিদা আকাশচুম্বী।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মান ও ফিচারের ওপর ভিত্তি করে এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এসব মাইক।
সিলেটের বন্দরবাজার এলাকার একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘বেশিরভাগ হ্যান্ডমাইক চীন থেকে আমদানি করা। নির্বাচনের কারণে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়েছে। রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে স্বতন্ত্র প্রার্থী, সবাই এসব মাইক কিনছেন।’
