ঢাকা: স্বচক্ষে দেখা একজন চরম ধান্দাবাজ ব্যক্তিটি ইউনূস। সব দেখছেন তথা সব অপকর্ম করাচ্ছেন আবার কথা এমন সফট বলছেন যে তিনি আলাভোলা। ক এর পর যে খ লিখতে হয় সেটাও তিনি জানেন না।
সারা দেশে এমন একটা দিন যায়না যেদিন খুনের খবর আসে না। এখন আবার হাদির বিচার চেয়ে পরিস্থিতি আরো তপ্ত করছে জামাত। সব ম্যাটিকুলাস ডিজাইন।
১২ ফেব্রুয়ারি যে ভোট হতে চলেছে সেটা কি কোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচন? নির্বাচন করার মতো পরিবেশ নেই। মবসন্ত্রাস, ধর্ষণ, গুম, খুনের মাধ্যমে দেশে এক ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
সাংবাদিক, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবীদের কণ্ঠরোধ করে রাখা হয়েছে। কারো কথা বলার অধিকার নেই। গোটা দেশকে জিম্মি করে এখন সুষ্ঠু নির্বাচনের গল্প ছাড়ছেন ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন নিয়ে কী বাতেলা কথাবার্তা বললেন দেখি:
বলেছেন, সারা দেশে উৎসাহ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে। কেউ কারো বিরুদ্ধে কটু কথা বলছেন না। কোনো অভদ্র আচরণও হচ্ছে না। আমাদের অভদ্র কথাও হচ্ছে না।
আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য এটি খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন। এখন পর্যন্ত প্রস্তুতি পর্ব খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট, উই আর ভেরি হ্যাপি। আমাদের জন্য এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে টু মেক ইট পারফেক্ট। ভোটটা যাতে পারফেক্ট হয়, সেটা হচ্ছে আমাদের জন্য এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে এই কথাগুলো বলেছেন।
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নেক্সট ওয়ান উইক খুবই ক্রুশিয়াল। ভোট উৎসবমুখর হবে। নারীরা আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবেন। মানুষ পুরো পরিবার নিয়ে একসঙ্গে ভোট উৎসবে যোগ দেবে। আমি আশা করি এই ভোট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রেস সচিব বলেন, পুলিশকে বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্র, তার মধ্যে ২৫ হাজার ৭শ বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে।
