চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে কর্মবিরতির ফলে। যা দেশকে অচল করে দিতে সক্ষম।
এই ধর্মঘট আজ সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে আগামি ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
তবে এই সময়ের মধ্যে পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে ফের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম খোকনের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিটি সেভাবেই তুলে ধরা হলো:
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি নিয়ে মাননীয় উপদেষ্টা মিডিয়া (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী কর্তৃক সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক—
১. চট্টগ্রাম বন্দরের ৫ জন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার ও হয়রানিমূলক মামলা প্রদান।
২. চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ জন কর্মচারীকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দরে হয়রানিমূলক বদলী।
৩. চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনরত কর্মচারীদের নানাবিদ শাস্তি প্রদান।
৪. চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনরত কর্মচারীদের বাসা বরাদ্দ বাতিল।
৫. চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনরত ১৬ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তসহ নানাবিধ শাস্তি প্রদান করা হয়।
উপরোক্ত বিষয়ে, আমাদের নেতৃবৃন্দের সহিত সন্তোষজনক আলোচনার প্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও রমজানে পণ্য রিলিজ করার স্বার্থে আমরা চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ এর ধর্মঘটের কর্মসূচী অদ্য ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং সকাল ৮ ঘটিকা হতে আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং পর্যন্ত স্থগিত ঘোষনা করছি। তবে উক্ত তারিখের মধ্যে উপরোক্ত ৫টি সমস্যা সমাধান না হলে আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে।
(স্বাক্ষর)
Humayun Kabir
সমন্বয়ক
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ
(স্বাক্ষর)
Md Ibrahim Khokan
সমন্বয়ক
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
পাঁচ সমস্যার সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে।
