ঢাকা: আগামিকাল নির্বাচন। এই নির্বাচন বয়কট করেছে দেশভক্ত জনতা। তারা এই ভোটে অংশ নেবে না জানিয়ে দিয়েছে।

ভোটের আগে জামাতের ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু হয়ে গেছে।

এখন যদি এই অবস্থা জামাত ইসলাম সরকার গঠন করলে তাহারা কি তাণ্ডব চালাবে একবার ভেবে দেখুন!

দাগনভূঞায় জামায়াত নেতার বাসায় ব্যালট পাওয়া গেছে! কিন্তু ব্যালট থাকুক, যাই থাকুক, যত অন্যায় করুক তারা প্রশাসন একটা টু শব্দ দিতে পারবে না। দিলে আবার হয়তো ঝুলিয়ে রাখা হবে! আরেকটা ৫ আগস্টের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

পুলিশ কেন তল্লাশি করলো, এজন্য থানা ঘেরাও করে জামায়াত নেতা কর্মীরা! এই অবস্থা সারাদেশে। এভাবে কি একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব?

নির্বাচনে পুলিশের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযান ও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ফেনীর দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক উপপরিদর্শককে (এসআই) প্রত্যাহারের দাবিতে থানা প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

এই অবস্থা আজকে দেশের। এত আস্কারা কোথায় পেয়েছে তারা? নিশ্চয়ই ইউনূসের থেকে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেনী-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিকের নেতৃত্বে কয়েকশ নেতাকর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দাগনভূঞা আতাতুর্ক হাই স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও জামায়াত কর্মী মাস্টার আবদুর রহিমের বাড়িতে ‘ব্যালট পেপার রয়েছে’—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

এদিকে, অভিযান কেন হয়েছে, উত্তেজিত হয়ে ওঠেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য মেজবাহ উদ্দিন সাঈদের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা থানায় অবস্থান নিয়ে ওসি মুহাম্মাদ ফয়জুল আজীম ও এসআই বলরামের অপসারণ দাবি করেন।

জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান মিথ্যা অভিযোগ করেন, ওসি ফয়জুল আজীম বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও জামায়াতের ভোট নষ্ট করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছেন।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এমনকি ভয়ে ক্ষমা পর্যন্ত চেয়েছেন।

‘নির্বাচনী মাঠে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুর থেকে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দাগনভূঞায় দায়িত্ব পালন করতে আসছেন। এএসপির এই আশ্বাসের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *