ঢাকা: আগামিকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের সাথে জুলাই সনদ নিয়েও গণভোট হবে। পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে এসেছেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক।

তবে ভারতের কেউ নেই এখানে। এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি ৩৯৭ জন বিদেশি সাংবাদিকও এসেছেন বাংলাদেশে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ৮০ জন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, ২৩৯ জন দ্বিপাক্ষিক দেশ থেকে আগত (যাদের মধ্যে স্বতন্ত্র ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকরাও রয়েছেন) এবং ৫১ জন বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।

এর আগে দ্বাদশ, একাদশ ও দশম জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছিলেন যথাক্রমে ১৫৮, ১২৫ ও চারজন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক।

প্রধান সংস্থাগুলোর মধ্যে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ সচিবালয় থেকে ২৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে ১৯ জন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে একজন পর্যবেক্ষক পাঠানো হয়েছে।

অন্যান্য সংস্থার মধ্যে রয়েছে— অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) থেকে দুইজন, ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অফ এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিস (আইসিএপিপি) থেকে দুইজন এবং ইউরোপিয়ান এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিস থেকে একজন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়াও ২১টি দেশ থেকে পর্যবেক্ষকরা আসছেন।

এর মধ্যে রয়েছে— পাকিস্তান (৮), ভুটান (২), শ্রীলঙ্কা (১১), নেপাল (১), ইন্দোনেশিয়া (৩), ফিলিপাইন (২), মালয়েশিয়া (৬), জর্ডান (২), তুরস্ক (১৩), ইরান (৩), জর্জিয়া (২), রাশিয়া (২), চীন (৩), জাপান (৪), দক্ষিণ কোরিয়া (২), কিরগিজস্তান (২), উজবেকিস্তান (২), দক্ষিণ আফ্রিকা (২) এবং নাইজেরিয়া (৪)।

ইউনুস সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক একেবারেই মসৃণ নয়। মসৃণ না হবার যথেষ্ট কারণ আছে। জঙ্গীবাদকে কখনো ভারত প্রশ্রয় দেয় না। ইউনূস গং ঝুঁকেছে জঙ্গী পাকিস্তানের দিকে।

সেটিও একটি বড় কারণ হলেও হতে পারে। আবার কারও কারও মত, নয়াদিল্লি মনে করছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না। তাই কোনও প্রতিনিধি না পাঠিয়ে সেই বার্তাই দেওয়া হল বাংলাদেশকে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *