স্বাধীনতাবিরোধী দল ও স্বাধীনতাবিরোধীদের তোষণকারি দলের মধ্যেকার খেলা খেলতে খুব একটা খারাপ লাগছেনা বোধ হয় এ দেশের পাকিপন্থী নাগরিকদের। তবে এই পাকিস্তানপন্থী নাগরিকদের কেউ কেউ ‘আরবান এলিট পিপল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
কারণ এই সুবিধেবাদী এলিট পিপলরাই দেশে-বিদেশে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে নানাভাবে অপপ্রচার করে দেশটিকে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী-স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে বরং উস্কে দিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, তারা নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং অংশগ্রহণ করেছেন।
কারণ তারাই সেই একাত্তরের খুনী আলবদরদের ন্যায় নতুন করে লালবদর হয়েছেন সেই চব্বিশের জুলাই-আগষ্টে ও তার পরবর্তী সময়ে। যার ফলে জঙ্গী জামায়াত-হিজবুত তাহরীর-হেফাজত জঙ্গী-সেনা ওয়াকার সমন্বয়ে সারা দেশটিকে একটি জঙ্গী ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। শুধু তাই নয় জঙ্গী ইউনুস দেখিয়ে দিচ্ছেন – ইলেকশনের নামে সিলেকশন কেমনে করতে হয়।
নিঃসন্দেহে এটি বাংলাদেশের ভোটের ইতিহাসে একটি “ মাইলফলক ” হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে কালো অক্ষরে। অনেক বেশি ধন্যবাদ (!!) পাওয়ার যোগ্য।
একাত্তরের রাজাকার আর চব্বিশের রাজাকার সব মিলে একাকার। সত্যিই এমন দৃশ্য দেখিনাই আর।
স্মরণকালের ঐতিহাসিক ভোট মহোৎসব চলেছে। আর তা ১২ ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে নয় ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকেই !
আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে দিনের ভোট রাতে করার। কিন্তু এই জঙ্গী-সেনা-ইউনুস সরকার অতীতের সব রেকর্ড করেছে। সত্যিই স্মরণাতীতকালের ঐতিহাসিক সীলমারা-ভোটমারা চলেছে।তা মন্দ নয়।
এরই মধ্যে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী তোষণকারি দল বিএনপিও মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে এরমধ্যে জামায়াত টাকার খেলায় ও ভোটকেন্দ্র দখলে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল গত ১১ ফেব্রুয়ারি।
সংশ্লিষ্ট খবর অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীন প্রধান, নগদ ৭৪ লাখ টাকা বহন করার সময় ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন।

তিনি আটক হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যক্তি এবং তার দল জাময়াত ইসলামি বাংলাদেশের পক্ষ হতে দাবী করা হয়েছে যে আটককৃত টাকা আমির উদ্দীন প্রধানের ব্যবসায়িক অর্থ, আবার কেউ দাবি করেছেন এসব শ্রমিকদের বেতনের টাকা, ইত্যাদি।
তবে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীন প্রধানের সর্বশেষ অর্থবছরের আয়কর নথি যাচাই করে দেখা যায় যে তার বাৎসরিক আয় ৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪১ টাকা, এবং সকল (মোট) সম্পদের পরিমাণই ২,৪৪৪, ৮৬৭ (২৪লক্ষ ৪৪হাজার ৮৬৭টাকা)!
যার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৪ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা তিনি ঠিক কিভাবে নগদ ৭৪ লাখ টাকা (যা তার মোট সম্পদের তিনগুণ) একটি বাজারের ব্যাগে করে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? আর এই অর্থের উৎস কোথায়?
এই বেলাল উদ্দীন প্রধান জামায়াতে ইসলামীর একজন জেলা পর্যায়ের আমির বা জেলার প্রধান নেতা। নির্বাচনের ঠিক আগেরদিন তিনি কি কারণে ৭৪ লাখ টাকা বহন করছিলেন সেটা দ্রুত জানা প্রয়োজন। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে- এ টাকা তার তৈরী পোশাক ব্যবসা সংক্রান্ত । অথচ জানা গেছে তার একটি টেইলারিং শপ রয়েছে মাত্র। সেখানেই এত টাকা !!! কিছুই বলার নেই আর তাহলে।
গভীর রাত মানে ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরের পরে রাত ২ টার দিকে যখন এ লেখাটি লিখছি তখন অবধি জানা গেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ, পটুয়াখালিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই অসংখ্য ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপারে সীল মারা হচ্ছে দেদারসে। ভরা হয়েছে ব্যালটবক্স।
১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, ইচ্ছেমতো ব্যালট পেপার সীল মরা, ভোটবাক্স সেই ব্যালটে ভর্তি করা, জামায়াত-বিএনপি ক্যাডারদের মধ্যে সংঘাত, খুনোখুনি, গুলির শব্দ, ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, একে অপরের প্রতি বিষোদ্গার ইত্যাদিতে এক “নরকগুলজার উৎসবমুখর পরিবেশ” তৈরীতে সহায়তা করেছে।


তবে এ প্রক্রিয়াটি মন্দ নয় বোধ হয় ! অযথা ১২ তারিখ সারাদিন কেন এই ভোট বা ইলেকশন করতে হবে ? এখন দেশে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সেবা পেতে ( সার্ভিস পাওয়ার জন্য) প্রিপেইড সিস্টেম চালু রয়েছে।
আসলে আমাদের এই দুটি রাজনৈতিক দলও চিন্তা করছে – অযথা কেন লোকজনকে কষ্ট করে আসতে হবে ? আর সেটিতো হবে পোষ্টপেইড সিস্টেমে। মানে ভোট যদি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়ে দিতে হয়। তাই তারা নিজ দায়িত্বে জনগণকে সার্ভিস দেয়ার জন্য প্রিপেইড সিষ্টেমে ব্যালট পেপারে সীল মেরে তা ভোটবাক্সে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন।
মারহাবা ! মারহাবা ! আহা ! কি চমৎকার দেখা গেলো জঙ্গী-ইউনুস ভোট করিলো ..! মনের আনন্দে এভাবে গাইতে ইচ্ছে করছে প্রাণখুলে। সত্যি কি সুন্দর ব্যবস্থা বলুনতো !
ভোটও যে প্রিপেইড দেয়ার ব্যবস্থা আছে তা কিন্তু সত্যি আমাদের শান্তিতে নোবেল কিনে নেয়া লরিয়েট জঙ্গী ড.ইউনুস দেখিয়ে দিয়েছেন। এটিকে ইউনুসের প্রিপেইড ভোটের মেজবানীও বলা চলে।
বিএনপি’র নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার নেতা-কর্মী সমর্থকদের বলেছিলেন- আপনারা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে চলে যাবেন। আর ফজরের নামাজ আদায় করবেন ভোটকেন্দ্রে ।
আর আমাদের জাহান্নামের টিকেট প্রদানকারি দল একাত্তরের খুনী-রাজাকারের দল জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলেছিলেন ফজরের নামাজের সময় থেকেই ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে তা দখলে রাখতে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম দেখলেই এ দুটি দলের নেতাদের এসব বক্তব্য পাওয়া যাবে।
আমার কাছে মনে হয়েছে, তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজের সময় সম্ভবত অনেক এগিয়ে আনা হয়েছে। হয়তো নতুন ইসলামী আইন চালু হয়েছে এই স্বাধীনতাবিরোধী দল ও স্বাধীনতাবিরোধীদের তোষণকারি দলগুলোর জন্য।
আমরা যারা প্যাকটিসিং মুসলিম তাদের কাছে তাহাজ্জুদ নামাজের উপযুক্ত সময় হলো এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক (ফজরের আযান) পর্যন্ত। এর জন্য শর্তও রয়েছে এই নামাজের। তা হলো– এই নামাজ পড়ার জন্য আগে থেকে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নেওয়া বা রাতের শেষ অংশে জেগে ওঠা জরুরি।
কিন্তু তা যে মাগরিবের নামাজের পরপরই তাহাজ্জদ এবং ফজরের নামাজের সময়কে এগিয়ে আনা হয়েছে তা নতুন করে শিখিয়ে দিলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদেরকে !! পবিত্র ইসলামের এমন অপমান স্বয়ং আল্লাহতালাও সইবেন না নিশ্চয়।
একসময়ে বাংলাদেশে একটি মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতি-সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন প্রভাতী দাস। এখন বিদেশে অবস্থান করছেন। তিনি বেশ চমৎকার মন্তব্য করেছেন। মন্তব্যের কিছু অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরলাম—“ যারা সারাজীবন শেখ হাসিনার সরকার ছাড়া আর কোন সরকার দেখেননি, এদের মধ্যে সংখ্যালঘুও অনেক, তারা ‘৭১ বা ‘৭৫ শুধু নয়, ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থাও দেখেননি। তাই তাদের কাছে হাসিনার সরকারই ছিল, সবচেয়ে খারাপ। তাদেরকে জানাই, কংগ্রাচুলেশনস! আপনাদের সবার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে, অথবা হতে যাচ্ছে! শীঘ্রই আপনারা টের পাবেন, কার বা কিসের জন্য জুলাই বিপ্লব করেছিলেন। আপনাদের জন্য জামাত-শিবির এবং বিএনপি শাসন আসন্ন, এবং এটাই আপনাদের প্রাপ্য।
বর্তমানের বাংলাদেশকে আমি ওউন করি না, করবো না কোনদিন।
আরেকটি কথা, যে জাতি স্বাধীনতার যোগ্য নয়, সে জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধারা, আওয়ামী লীগ এবং ভারত যে ‘অন্যায়’ করেছিল, তার ফল আজ তারা ভোগ করছে। যে জাতি নিজের জন্মের ইতিহাস অস্বীকার করে সে জাতির কাছে স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষার আবেদন জানিয়ে কি লাভ! আপনারা পাকিস্তান হতে চান, আপনাদের সে ইচ্ছে-পূরণ ঘটুক!”
এবারের এই ইলেকশন নামের সিলেকশন বা মাগরিবের নামাজের পর পরেই তাহাজউদ বা ফজরের আজানের সময় ধরে যারা দখলদারিত্বের উৎসবে মেতেছেন, টাকার খেলায় মেতেছেন আপনাদের জন্য ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে ।
জানিনা আপনাদের জন্য ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে। তাবে আপনাদের এই তাহাজ্জুদ আর ফজরের নামাজের সময় পাল্টানোর যে থিউড়ি ও প্র্যাকটিক্যাল দেখালেন জাতিকে এ জন্য আমরা মুসলিমরা সুবেহ সাদিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবো মহান আল্লাহতালার কাছে ফরিয়াদ জানানোর জন্য।
এবারের এই ইলেকশন নামের সিলেকশনী খেলায় বাংলাদেশের কোন ইসলামী দল কোন নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। যে বিএনপির এতদিনের চেয়ারপারসন ছিলেন একজন নারী। বেগম খালেদা জিয়ার দল বিএনপিও এবার মাত্র ১০ জন নারীকে
সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী করেছেন।
অথচ বেগম খালেদা জিয়াও নারীর অধিকারের কথা বলতেন। তার পুত্র ও এখনকার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়া বা তারেক রহমানও তার নির্বাচনী প্রচারনায় নারীদের অধিকার দেয়ার মথা বলেছেন। কিন্তু নমিনেশন দেয়ার বেলায় তা করেননি।
ইসলামী দলগুলো আসলে নারী নেতৃত্ব মানেনা বলে প্রচার করে থাকে তারা। নারী নেতৃত্ব নাকি হারাম। কিন্তু একটা সময় ছিল জামায়াতে ইসলামী ও অন্য ইসলামী দলগুলোর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে রাজনৈতিক জোট ছিল বা সরকার ছিল তা ছিল খুব আরাম !!
এই হলো বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোর চরিত্র।
যেসব দল কোন নারীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়নি এসব দলকে একটু চিনে রাখুন। এরা হলো- জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জনতার দল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ জাসদসহ অন্তত ৩০টি দল। এসব দল এবারের নির্বাচনে কেবল পুরুষ প্রার্থী দিয়েছে, কোন নারীকে সম্মান জানানোর প্রয়োজন বোধ করেনি তারা।
এই কথিত নির্বাচনের পর ক্ষমতাহীন হবে অনেকে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো কোনটাই রাজনৈতিক দল নয়। তারা প্রতিক্রিয়াশীলদের সংঘ।
তাদের সারা জীবনের রাজনীতি বাংলাদেবিরোধী বিদেশী অর্থ ও পরামর্শে আওয়ামী ও ভারত বিরোধীতা। সুতরাং তারা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে ব্যর্থ হবে এটা নিশ্চিত। এটাও নিশ্চিত যে, এরপর চলবে আরো দখল, হত্যা এবং লুটপাটের মহোৎসব।
একটু খেয়াল করলে দেখবেন এবারের ইলেকশন নামক সিলেকশনে কিন্তু জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত কোন পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। এর মাধ্যমে কি মেসেজটি দেয়া হয়েছে ইউনুস সরকারের কাছে তা কি বুঝতে পারেননি ইউনুস সাহেব ও তার বশংবদেরা ?
আমি কেন জানি ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি যে প্রহসনের নির্বাচন করেছিল সেসময়ে বিএনপি’র আদেশে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন (প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এ কে এম সাদেক) সেই সময়কার আবহ দেখতে পাচ্ছি। সেই নির্বাচনকে অনেকে সাদেকালী মার্কা নির্বাচন বলে থাকেন।

সেই পাতানো নির্বাচনে গঠিত খালেদা জিয়া সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন শুরু হয়েছিল ১৯ মার্চ ১৯৯৬ সালে এবং অধিবেশন স্থায়ী ছিল চার কার্যদিবস ২৫ মার্চ ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। ৩০ মার্চ ১৯৯৬ সালে সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
সংসদ স্থায়ী ছিল মাত্র ১২ দিন। তখন স্বতন্ত্র ১০ জন সদস্যকে নির্বাচিত দেখানো হলেও কুখ্যাত ফ্রিডম পার্টির নেতা লে. কর্নেল (অবঃ) খন্দকার আবদুর রশিদকে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা বানিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা পত্নী বেগম খালেদা জিয়া। এই খন্দকার রশিদ ছিলেন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী।
সেই এ কে এম সাদেক এর নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে সরকার গঠিত হয়েছিল তাদেরকে গণরোষে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। তাই ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হলে স্বাভাবিকভাবেই সেই ’৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দুঃস্বপ্ন গ্রাস করে।
#ইশরাত জাহান, লেখিকা, প্রাবন্ধিক ও নারী নেত্রী।
