ঢাকা: দেশে ভোট তো ১১ ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হয়ে গেছে। ভোট তো নয়, তামাশা হচ্ছে। জনগণ কেন যাবে জীবন বাজি রেখে ভোট দিতে? জনতার জীবনের দায় নেবে এই সরকার?
আওয়ামী লীগকে ছাড়াই ভোট হচ্ছে বাংলাদেশে। ভোটের কার্যকারিতা, সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে যাবে সকাল থেকে। চলবে বিকেল পর্যন্ত।
তার আগেই রাতের আধারে প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে গোপন বৈঠক করে জামাত। ভোটকেন্দ্র দখল থেকে শুরু করে, বোমা, হামলা, গোলাগুলি অনবরত চলছে। এই হচ্ছে উপদেষ্টাদের ভাষায় উৎসবমুখর নির্বাচন।
ফরিদপুরের হিতৈষী স্কুল কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে গোপনে বৈঠক করেছেন জামাত নেতা।
জনগণের বর্জন করা ভোটে কিভাবে ব্যালট বাক্স ভরানো যায় সেটারই মেটিক্যুলাস ডিজাইন করা হয়েছে। এটাই দখলদার ইউনুসের অবৈধ সাজানো নির্বাচন।
এদিকে, জামালপুরে ভোট কিনতে গিয়ে টাকা ও অস্ত্রসহ জনতার হাতে পাকড়াও হয় জামায়াতের ৭ কর্মী।
জামালপুরের মিরাপুরে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে টাকা ছড়ানোর সময় ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসহ জামায়াতের ৭ কর্মীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
ইউনুস-বিএনপি-জামায়াতের বদৌলতে এবার দেশবাসী স্বচক্ষে দেখছে কীভাবে রাতের ভোট দেওয়া হয়, কীভাবে টাকা দিয়ে ভোট কেনা হয়।
জামায়াতে ইসলামী সারাদিন রাত কোরানের বাণী শোনায়, এদিকে এরাই সবচেয়ে বড় গাদ্দার।
নির্বাচন ঘিরে দেশে শুরু হওয়া অশান্তিতে দেশবাসী আতঙ্কিত। রাজনৈতিক দলের কর্মীদের কুপিয়ে জখম করা হচ্ছে।
ভোটকেন্দ্র দখলে করতে এসে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে আটক হয় চট্টগ্রাম ৮ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু নাছের। তাকে সাথে নিয়ে ‘ভোট চোর, ভোটচোর’ স্লোগান দিতে থাকে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এমন অবস্থা নির্বাচনের।
