ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুরু হয়েছে সকাল সকাল। সাথে প্রহসনের গণভোট।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেড়ে যাওয়া কুর্সিতে কে বসবেন? তা নির্ধারণ করতেই ভোটাধিকার প্রয়োগ। তবে এক একটি যা দেখা যাচ্ছে তা হলো দুই তিনটি কুকুর ছানা ছাড়া আর কেউ নেই।
মূলত এই ভোট বর্জন করেছে জনগণ। এই ভোট মানে না দেশবাসী। তার প্রমাণ তো ভোটকেন্দ্রেই পাওয়া গেছে।

এখন প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে দু’জন প্রতিদ্বন্ধী। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান এবং কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন জামায়াতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমান।
জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হবে। তবে আজ হচ্ছে আনুষ্ঠানিক তারিখ। গতকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে দখল নেয়া। সংঘর্ষ দফায় দফায়।
আওয়ামী লীগ ছাড়াই হচ্ছে ভোট। আওয়ামী লীগ এই ভোট বয়কট করেছে।
আওয়ামী লিগের অভিযোগ, আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর পক্ষে ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়েছে।
তাদের বক্তব্য, এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দেয়।
সজীব ওয়াজেদ এবং আওয়ামী লিগের নেতারা এসব অভিযোগের বিষয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের মতে, ভোটগ্রহণের আগে ব্যালট কারচুপি হয়ে থাকলে তা গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো লঙ্ঘন করে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার উপর জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
রাতেই চলেছে ভোটিং! ক্ষুব্ধ সজীব ওয়াজেদ জয়।
তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশ নির্বাচন ভয়ঙ্কর অনিয়ম চলছে। ব্যালট রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। একইসঙ্গে জয়ের দাবি, রাতেই একাধিক এলাকায় ভোটিং করানো হয়েছে।
