ঢাকা: আওয়ামী লীগের ডাকে সাড়া দিয়েছে জনগণ। ভোটকেন্দ্র প্রায় ফাঁকা। এই প্রহসনের ভোট বর্জন করেছে দেশবাসী।
ভোটকেন্দ্রগুলো ফাঁকা। অথচ এমনভাবে দেখানো হচ্ছিলো যেন সারা দেশ ভোট দিতে চলেছে। জনগণের আগ্রহ নেই এই ভোটে।

৫ দিন সবকিছু বন্ধ দিয়েছে, আবার লোকাল ট্রান্সপোর্টও বন্ধ, সে কারণে ট্রেনে ভিড় হয়েছিল। আর এটাকেই ঈদ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ নাকি ভোট দিতে বাড়ি যাচ্ছিল, এই গল্পগুলো খাওয়ানো হয়েছে।
দেখানোর চেষ্টা হচ্ছিলো যেন কত উচ্ছ্বাস।
মূল বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে সকাল থেকেই। ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মী ছাড়া সাধারণ মানুষের উপস্থিত খুব কম। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এলাকাগুলোর অবস্থাতো আরো ভালো, ভোটার যায়নি। মানুষ ভোট বর্জন করেছে।
বগুড়ায় তারেক রহমানের আসনে আরেকটি ভোটারশূন্য ভোটকেন্দ্র। সকালে মোটামুটি কিছু লোক ভোট দিলেও এখন একেবারে নীরবতা।
দেখা গেছে মেইন রোড থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত কোথাও কেউ নেই। মারাত্মক এক ঐতিহাসিক ভোট হচ্ছে দেশে!
সারাদেশের ভোটকেন্দ্রগুলোর চিত্র দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায় বিষয়টা। কোথাও কেন্দ্র ফাঁকা পড়ে আছে; কোথাও আনসার সদস্যরা অলস সময় কাটাচ্ছেন, আবার কোথাও বিজিবি সদস্যদের ক্রিকেট খেলতে দেখা গেছে।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো একই সাথে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সাড়ে চার ঘণ্টায় প্রায় ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে, বলছে নির্বাচন কমিশন।
প্রহসনের এই নির্বাচনে ইউনুস কতো ভোটার উপস্থিতি দেখায় – সেটাই দেখার অপেক্ষায় জাতি।
