ঢাকা: এবারের ভোটের সমীকরণটা খুব ভাবনার। দেশের চিন্তাশীল রাজনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীরাও চিন্তা করছেন।

আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই কারণেই যে আওয়ামী লীগ থাকলে খেলায় জেতা সম্ভব হবে না তাই। ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চেয়েছিলো ইউনূস গং।

আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সরাসরি নেতা কর্মীরা ভোট বর্জন করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং সফট আওয়ামী লীগাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়েছেন এবং ভোট দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভোট দিয়েছেন ধানের শীষে। তারা ধানের শীষের পক্ষে প্রচার প্রচারণাও করেছেন কোথাও কোথাও।

ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিকিয়ে রাখার জন্য,নারীদের সমমর্যাদার জন্য। জামাতকে ভোট দেয়া যায় না।

অনেকেই বলেছেন,জীবনে প্রথমবার ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।

এটা ভাবনার বিষয় যে নৌকার ভোট এবার ধানের শীষে এসেছে।

হিন্দুরাও কিন্তু এবার ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। দেশের মর্যাদা,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর অসাম্প্রদায়িক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে বিশ্বাসী হিন্দুরা। কোনো দাঙ্গায় বিশ্বাসী নয়।

তাই বিএনপির কাছে দেশবাসীর একটা প্রত্যাশা অবশ্যই আছে।

সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফলে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। জয়ের পর এক তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ দেখা গেছে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন।

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে দেন এবং তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। ভিডিওতে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, “বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান আজ চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়কে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত করেছেন। এই সংগঠনটি দল ও সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।”

আওয়ামী লীগের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা আবু দাউদ প্রধানের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তিনি যেন আমাদের এই হয়রানি থেকে রক্ষা করেন।”

প্রাক্তন ছাত্রনেতা আনিসুজ্জামান স্বপন বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কেউ বিকৃত করার চেষ্টা করলে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করব। দলমত নির্বিশেষে আমরা এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *