ঢাকা: ধানমন্ডি ৩২ এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার ঢাবি অধ্যাপক ড. আ.ক.ম. জামাল উদ্দীন। মানুষ গড়ার কারিগর দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের একজন সম্মানিত শিক্ষকের কলার ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ!
ধানমন্ডি ৩২ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন এটি জাতির জন্য লজ্জার!
তাঁর ঘাড়ে ধরে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে এমন করুণ ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছে।
মাত্র সমাপ্ত হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।
এখনো নতুন এমপিরা শপথ নেননি, সরকার গঠিত হয়নি। তার আগেই এই অবস্থা। যা ছিলো দেড় বছরে এখনো, আজো তাই দেখা গেলো।
প্রশাসন যে জায়গায় ছিলো সে জায়গাতেই আছে। জনগণের প্রশাসন হয়ে ওঠেনি।
আজ রোববার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে নজিরবিহীনভাবে অধ্যাপকের লাঞ্ছিত ও আটক হবার ঘটনা নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিএনপি সরকার কেমন হবে ক্ষমতায় বসলে? আদৌ কি এরা মুক্তিযুদ্ধ, যোদ্ধাদের সম্মান দেবে? বাঁচবে সংখ্যালঘুরা? এই প্রশ্ন তাড়া করছে নতুন করে।
অধ্যাপক জামাল উদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তাঁর ওপর এমন আঘাত বিএনপির দিকে ফের প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে!
আজ দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান ড. জামাল উদ্দিন।
এটা কি কোনো অপরাধ! ধানমন্ডি ৩২ কি কোনো নিষিদ্ধ স্থাপনা?
পুলিশ এভাবে হেনস্তা করতে পারে? একজন শিক্ষককে কি পুলিশ এভাবে ঘাড়ে ধরে নিয়ে যেতে পারে?
এটা কি কোনো সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে?
