খুলনা: আওয়ামী লীগ এদেশে ছিলো আছে এবং থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের দল, স্বাধীনতার দলকে নিষিদ্ধ করলেই শেষ হয়ে যায় না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী জনগণ বাধ্য হয়েই বিএনপিতে ভোট দিয়েছে। কারণ জামাতকে ঠেকানো।
এর মধ্যে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগ অফিস। তবে প্রশাসনের ভূমিকা সন্দেহজনক।
খুলনায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের বাইরে মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনার ছবিতে মালা দেওয়া হয় রবিবার। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে। ওঠে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান।
২০২৪ সালে জঙ্গী আন্দোলনের পর থেকে খুলনায় আওয়ামী লীগের এই কার্যালয়টি দৃশ্যত পরিত্যক্ত অবস্থাতেই পড়ে ছিল। রবিবারে বিকেলে সেখান পৌঁছে যান আওয়ামী লীগের একদল নেতা-কর্মী। তাঁরাই সেখানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে মুজিবুর এবং হাসিনার ছবিতে মালা দেন।
দলীয় কার্যালয়ে এই কর্মসূচিতে ছাত্র লীগের এক প্রাক্তন নেতাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। আমরা ঐক্যবদ্ধই রয়েছি। যে কোনও কর্মসূচির জন্য আমরা তৈরি। শুধু ডাক বা নেতৃত্বের অপেক্ষা।”
রবিবারের এই ঘটনা প্রসঙ্গে খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলামের বক্তব্য, “এত দিন একটি অবৈধ সরকার ছিল। মবের রাজত্ব চলছিল। আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আছে। এখন একটি রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে। আমরা মনে করি নির্বাচিত সরকার একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসাবে আমাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেবে।”
তবে জঙ্গী তো এখনো বিরাজ করছে দেশে। যারা মুক্তিযুদ্ধ চায়না, মুক্তিযোদ্ধা চায়না। চায় জুলাই।
তাই দেখা গেছে, কার্যালয় খুলে পতাকা উত্তোলনের কিছু সময় পর সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধরা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
