নোয়াখালী: হিন্দুদের ওপর হামলা এদেশে অনেক সহজ। হিন্দুরা এদেশে কেবল ভোটার কার্ড। তারা শুধু ব্যবহৃত হয়।
হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগে এবার মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর হাতিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগীরা।
তাদের অভিযোগ, নির্বাচন ও ফল ঘোষণার পর ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকেরা এসব সহিংসতার সাথে জড়িত।
টোকাই জঙ্গী এনসিপি এইসব কাণ্ড ঘটিয়েছে। এর প্রতিবাদ করেন তাঁরা।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রিয়াজ মার্কেট এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগী অংশ নেন।
তারা নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দেন এবং দোষীদের বিচারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোটের দিন থেকে ফল ঘোষণার পর পর্যন্ত সোনাদিয়া বাংলাবাজার ও রিয়াজ মার্কেট এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হয়। ফল ঘোষণার পর প্রায় ১০টি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
ঘরে ঢুকে গালিগালাজ, লুটপাট করা হয় এবং গবাদিপশুর ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি ভোট শেষের কয়েক দিন পরেও ভুক্তভোগীদের যেখানেই পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই মারধর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দীপক চন্দ্র দাস, দুর্জয় ধন দাস, প্রিয়াঙ্কা বালা দাস, কাকন চন্দ্র দাস, দেব দাসসহ আরও অনেকে।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানান।
বুড়িরচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গৌরহরি মাঝি বাড়ির মৃদুল চন্দ্র দাসের বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের পাশে বাড়ি হওয়ায় বিষয়টি নৌবাহিনীর সদস্যদের জানানো হলেও তাৎক্ষণিক কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
