গাইবান্ধা: কারাগার থেকে এইভাবেই মৃত্যুর খবর আসছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার আওয়ামী লীগের নিরপরাধ নেতা কর্মীরা।

বাংলাদেশে বিচারহীনভাবে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের আক্রমণ, নির্যাতন ও খুন করা হচ্ছে।

এবার গাইবান্ধা জেলা কারাগারে হাজতি অবস্থায় মারা গিয়েছেন শামীকুল ইসলাম সরকার লিপন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি ও পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মানা যায় না। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও স্বজনরা একে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলেই দাবি করেছেন। যেমন আগেও বহু ঘটনা ঘটেছে। স্বৈরাচারী কারা তা তো প্রমাণিত।

জানা গেছে, একটি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে হাজতি ছিলেন।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে হঠাৎ করেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে তাঁকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার আরো অবনতি হয়। পরে নিয়ে যাওয়া হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ষড়যন্ত্র করে তাঁকে কারাগারে রাখা হয়। মিথ্যা, ভুয়া মামলায় তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। হাইকোর্ট থেকে ছয়বার জামিন পাওয়ার পরেও তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। জেলগেট থেকে বারবার পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে পলাশবাড়ী থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *