ঢাকা: রাজাকার, জঙ্গীর দল জামাত কিন্তু ঠিক খাপ পেতে ছিলো। এবং সেটাই করলো।
বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাল কেটে দিয়েছে জামাত। জামাত দিল ভিন্ন মতামত।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠান চলাকালীনই গণভোটে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে বিএনপিকে রীতিমতো দেখা গেলো ‘ব্ল্যাকমেল’ করছে জামাত। যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে উঠেপড়ে লেগেছে।
তাদের পরিষ্কার দাবি, বিএনপি যদি গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের জন্য শপথ না নেয়, তাহলে তাঁরাও শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করবেন।
সংসদ সদস্য হিসেবেও কেউ শপথ নেবেন না।
আর এই গণভোট কী তা আমরা আগেই বলেছি। সংবিধানবিরোধী, দেশবিরোধী এই গণভোট। যেভাবে হ্যাঁ না করে বোঝানো হয়েছে, আসলে তা নয়।
তবে বিএনপি সংবিধান সংস্কারে নারাজ। দলের নির্বাচিত সাংসদদের যুক্তি, তাঁরা জনতার ভোটে নির্বাচিত, গণভোট তাঁদের সিদ্ধান্তে হয়নি।
বিএনপি সাফ জানিয়েছে, সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না। কারণ, তাঁরা ওই পরিষদের কোনও সদস্য নন।
এনিয়ে মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের আগে কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।’’
এখন কী বলবো? খেলা যে চলছে কোন লেভেলে?
দেখা গেছে, বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার পর জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিত সাংসদদের শপথ গ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আজ দুপুর ১২টায় তাদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে তারা শপথ নেবেন কি না, তা এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদমাধ্যমে জানান, বিষয়টি নিয়ে জোটের শীর্ষ নেতারা এখন বৈঠকে বসেছেন।
জাতীয় সংসদ ভবনেই এই বৈঠক চলছে। বৈঠকে আছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন,
‘বৈঠক থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তারা শপথ নেবেন কি নেবেন না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।’
