ঢাকা: জামাতিদের আব্বা ইউনূস! আব্বাকে কিছু বললে তো ছেলের গায়ে লাগবেই।

জামাতের আমির শফিকুর যেভাবে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে তোপ দাগলেন সে ঘটনায় জামাত-ইউনুস আঁতাঁত দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিনকে আক্রমণ করলেন রীতিমতো বিরোধী দলনেতা শফিকুর রহমান।

কয়েকদিন আগেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দাবি করেন, মহম্মদ ইউনুসের সমস্ত কর্মকাণ্ড বেআইনি ছিল। এরপরই জামাত নেতা শফিকুরের তোপ।

ফেসবুকে শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গিয়েছেন। পদচ্যুত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে উনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন তা তিনি তাঁর বর্তমান বক্তব্যে স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি। কোটি-কোটি মানুষ যা শুনল এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন তার হিসেব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?’ এমন আচরণ সমর্থনযোগ্য নয় বলে তাঁর ক্ষোভ, ‘জাতি অবুঝ নয়।’

তা ইউনূসের ষড়যন্ত্র ফাঁস করায় আপনার কেন গায়ে লাগছে মশাই? তার মানে শফিকুরের ভাণ্ডা ফুটতে আর বেশি দেরি নেই। ভোটে হেরে, এদিকে রাষ্ট্রপতির সব ঘটনা ফাঁসের ঘটনা- তার এখন পাগলপ্রায় অবস্থা।

কী বলেছিলেন সাহাবুদ্দিন?

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ”ইউনুস সরকার আমাকে অপসারণের জন্য বিভিন্ন রকম চেষ্টা করেছিলেন। আমার দু’টি বিদেশ সফর বাতিল করে দিয়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তিনি আমেরিকার সঙ্গে যে শুল্কচুক্তি করেছিলেন, সেটির বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছিল।”

২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই জ্বলছিল বাংলাদেশ। সেই সময়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন রাষ্ট্রপতি।

বলেন, “২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর একদল দুষ্কৃতী বঙ্গভবন ঘেরাও করেছিল। তাদের দাবি ছিল, প্রেসিডেন্ট পদ থেকে আমাকে সরাতে হবে। ওই রাতে দুষ্কৃতীদের আচরণে আমি কেঁপে উঠেছিলাম।”

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন শাহবুদ্দিন। তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকারের নিযুক্ত সদস্য হওয়ার কারণেই জামাত তাঁকে বারবার আক্রমণ করেছে।

বিশেষ করে হাসিনার পতনের পর তাঁর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। যদিও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে বহাল ছিলেন। এবং সংবিধান ধরে রেখেছেন।

তবে শফিকুর তো বোকা তাই সরাসরি বুঝিয়ে দিলেন ইউনুস ও জামাতের সম্পর্কের দিকটিও।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *