ঢাকা: দুর্নীতিবাজ, চরম বাটপার, দেশের সাথে ছিনিমিনি খেলে, টাকা লুট করা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার মতো সুযোগ সন্ধানী গিরগিটি আকারের নেতা এদেশের অলিতে-গলিতে জন্মায়।

কিন্তু একজন সাকিব আল হাসান কয়েক দশকেও বিশ্বে জন্মায়না। এমন একজন গ্লোবাল স্টারের ক্যারিয়ার থেকে দুটি বছর কেড়ে নিয়েছেন এই অপদেষ্টা।

রাজুতে আয়! তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার! এমন মন্ত্র আর কাজ হবেনা এই বাংলায়। এদের বাটপারি শেষ। তাই মাথা ধরেছে এখন। উপদেষ্টা, সমন্বয়করা এখন রাস্তাঘাটে ধোলাই খায়।

একজন উপদেষ্টা হয়ে মবের জনক আসিফ মাহমুদ নিজের কিছু বন্ধুবান্ধব দিয়ে সাকিবকে দেশে না আসার ষড়যন্ত্র করে।

এখন তিনি বলেন, সাকিবিয়ান তথা সাকিব আল হাসানের ভক্তরা নাকি মব করে। তারা নাকি দুদকে গিয়ে আন্দোলন করেছে! এমন ছবি কোথাও পাওয়া যায়নি।

আসিফ জুলাই ব্যবসায়ী। পুরো দেশ যখন সাকিব ময় তখন টোকাইয়ের মাথা নষ্ট ।

সাকিব আল হাসানকে দেশে ফিরতে দিতে রাজী হননি সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

আসিফ কোন রাখঢাক না করেই জুলাইয়ের পক্ষে থেকে সাকিবকে খেলতে দেওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছেন।

এই টোকাই, দেশদ্রোহী, পাকিস্তানের সমর্থক বলেন, সাকিবের দেশের পতাকা নেয়ার অধিকার নেই। কেন? সাকিব আল হাসান কী কোনো দেশদ্রোহী কাজ করেছেন?

তাহলে ইউনূস কী করলেন? আসিফ কী করলেন? তাঁদের অধিকার আছে পতাকা ধরার?

সাকিবের অপরাধ তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘সাকিব আল হাসানকে খেলতে না দেওয়ার কারণে তার ভক্তরা দুদকে মব সৃষ্টি করে। খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে আমি শাস্তি পেতে রাজি।’

আসিফ বলেন, ‘সাকিব জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে এবং শেখ হাসিনাকে সমর্থন করার কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, বাংলাদেশের জার্সি পরে দেশের পতাকা বহন করার কোনো নৈতিক অধিকার তার নেই। এখন সেটা যদি দুর্নীতি হয়, কাউকে খেলতে না দেওয়া যদি দুর্নীতি হয়, তাহলে সেটার জন্য আমার শাস্তি হোক, আমার কোনো সমস্যা নেই।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *