চাঁদপুর: বাংলাদেশে দুর্নীতি বাড়ছে, ধর্ষণ বাড়ছে। তার মূল কারণ সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে।
৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে বেড়েই চলেছে নারী নির্যাতন, নেই সুষ্ঠু বিচার, নারী-নিরাপত্তা নিয়ে জনমানুষের মধ্যে শঙ্কা বেড়েই চলেছে।
প্রতিদিন ধর্ষণ, নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। নারী নির্যাতন বা ধর্ষণের বিচার হয়নি ইউনূসের রেজিমে, শুধু দেওয়া হয়েছে ধামা চাপা।
দেশবাসীর আশা ছিলো, নতুন সরকার অন্তত কিছু রোধ করতে পারবে। তা না, বরং আরো ভয়াবহ কিছু খবর আসছে প্রায় প্রতিদিন।
মেয়েরা সবচেয়ে নিরাপদ থাকে মা বাবার কাছে। আর সেই বাবাই যদি ধর্ষক, অশুর রূপ ধারণ করে তখন সেই মেয়ের জীবনটা কী হয়?
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় এমন ঘৃণ্য ঘটনাটি ঘটেছে। এক বাবার (৩৭) বিরুদ্ধে নিজের মেয়েকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেছে।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হবার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বসতবাড়ি তালাবদ্ধ করে দিয়েছে।
ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর নিজের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন।
হঠাৎ ওই কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তার মা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। অর্থাৎ তাঁকে গর্ভবতী মনে হচ্ছিল।
হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী প্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঘটনা এমন ঘটেছে শুনে মা হতবাক! কিশোরীর মা ও বাবার মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এই ঘটনায় লজ্জা ও আতঙ্কে গত ৭ দিন আগে কিশোরীকে গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে তার মা পাশের উপজেলায় নানাবাড়ি নিয়ে যান।
বাবার এমন কীর্তি জানতে পেরে স্থানীয়রা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
