ঢাকা: যুদ্ধের প্রভাব তেলে? ভয়ে আর আতংকে মানুষ তেল নেয়ার জন্য গভীর রাতেও পেট্রোল পাম্পে লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছে!

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ না হলে বাংলাদেশে আগামী এপ্রিলে দেখা যাচ্ছে ক্যাঁচাল লেগে যাবে। এলএনজির দাম বাড়বে, তেলের দাম বাড়বে।

ফলে গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটবে।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা হতেই পারে। তবে তেল যে পাওয়াই যাচ্ছে না। এই নিয়ে সিন্ডিকেট চালু হয়ে গেছে। মারাত্মক হয়রানির মুখে পড়েছে জনগণ।

ঢাকার অধিকাংশ তেল পাম্পে তেল নেই। আর যেখানে তেল আছে সেখানেও দাম বেশি।

এখনি সময় কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করার। অনেকেই উঠে পড়ে লেগেছে।

কোন কোন পাম্পে ‘তেল নাই’ লিখে ব্যানার ঝুলিয়ে রাখতেও দেখা যায়..।

কোথাও কোথাও পাম্পে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

তেল সংকটকে কাজে লাগিয়ে একটি পাম্পে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করছিলো, একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন ধরিয়ে দেয় পাম্পে..।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে দেখা যায় লম্বা লাইন। অনেক জায়গায় তেল নিতে অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে যায়।

তবে পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন পর্যন্ত তেলের দাম বাড়ানো বা সরবরাহ কমার বিষয়ে কোনও নির্দেশনা নেই। গুজব বা আশঙ্কার কারণে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিচ্ছেন, ফলে পাম্পগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে চাপ বেড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জ্বালানি সাশ্রয়ে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

একটা দেশে নূন‍্যতম ৪ মাসের রিজার্ভ থাকে। ৪ দিনে জ্বালানী শেষ হলো কিভাবে? হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলো কয়দিন হয়েছে?

যা পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে, সামনে জ্বালানী তেলের তীব্র সংকটে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের উপর। নিত‍্য পণ‍্য সহ সবকিছুর মূল‍্য বাড়বে, জনগণের নাভিঃশ্বাস উঠে যাবে।

দেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে একজন শেখ হাসিনা এই দেশের জন‍্য, দেশের মানুষের জন‍্য কতটা উপকারী ছিলেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *