ঢাকা: ধর্ষক, রাজাকাররা আত্মশুদ্ধির পাঠ শেখায়। এদিকে শিশুদেরকেও ধর্ষণ করতে ছাড়ে না জামায়াত।
ইরার ঘটনা এখনো তাজা। সেই ধর্ষক এবং হত্যাকারী একজন জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। এরকম তো হাজার ঘটনা আছে। জামায়াতে ইসলামী মানেই ধর্ষক, মিথ্যাবাদী।
জান্নাতের টিকিট দেয়া দল যে এত আত্মশুদ্ধি শেখায় তাহলে মসজিদের ভেতরে খোদ ইমাম কী করে নারী নিয়ে অপকর্ম করে? এরা সমাজকে কী বার্তা দিচ্ছে?
তাদের মুখে কেবল ধর্মের কথা। ধর্ম বিক্রি করে খাওয়া একটা ভিন্ন লেভেলের এরা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রমজান আমাদেরকে সংযম, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহভীতির শিক্ষা দেয় এবং জীবনের প্রতিটি নিয়ামতের যথাযথ কদর করতে শেখায়।
রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেন।
কাদের শেখান এইসব? নিজেরা যেখানে ধর্মের আড়ালে ধর্ষক সেজে বসে আছে!?
তিনি বলেন, “আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘রোজা যেমন পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, তেমনি তোমাদের ওপরও ফরজ করা হয়েছে, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো’।”
জামায়াত আমির বলেন, রোজার উদ্দেশ্য হলো, এগারো মাস আল্লাহ তাআলা মানুষকে অসংখ্য নিয়ামতে ভরপুর করে রাখেন। এক মাসের সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষ যেন উপলব্ধি করতে পারে যে, বাকি এগারো মাস তারা কত বড় বড় নিয়ামতের মধ্যে জীবনযাপন করেছে।
তিনি বলেন, এই নিয়ামতগুলোর ব্যাপারে কিয়ামতের দিন মানুষকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তাই রমজান আমাদেরকে সংযম, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহভীতির শিক্ষা দেয় এবং জীবনের প্রতিটি নিয়ামতের যথাযথ কদর করতে শেখায়।
