গাজীপুর: দেশের মাদ্রাসায় পড়া শিশুদের কপাল পোড়া! মাদ্রাসায় ইমাম দ্বারা ধর্ষণের খবর তো আমরা অহরহ পাই। এবার এক মাদ্রাসা ছাত্রের গায়ে আগুন দেয়া হলো।
ঘটনা গাজীপুরের। গাঁজা সেবন করতে দেখে ফেলায় এবং তা অন্যকে বলে দেওয়ার কথা বলায় এক মাদরাসা ছাত্রকে শ্বাসরোধে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে এক যুবক।
এই ঘটনাগুলো খুব সহজ হয়ে গেছে ৫ আগস্টের পর। এখন তাদের আর হাত কাঁপে না। কথায় বলে না কচুগাছ কাটতে কাটতে মানুষ কাটা শেখে- সেটাই হয়েছে।
যে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে তার নাম মাহবুব আলম রনি (১৩)। অপরদিকে গ্রেফতার যুবকের নাম ছাব্বির আহম্মেদ (১৯)।
এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জয়দেবপুরের ভবানীপুর এলাকা থেকে ছাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকার মো. আব্দুল বারেকের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানান, নিহত রনি ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকার খুরশিদিয়া মারকাজুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার নাজেরা বিভাগের ছাত্র ছিল।
২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবি নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। পরদিন সকালে ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকার একটি জঙ্গলের ভেতর থেকে দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রনির দাদা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
ছাব্বির এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
