ঢাকা: জ্বালানি সংকটে নাকি পুলিশের টহল কমে যাবে!? কী অদ্ভুত কথা? পুলিশি টহল চলা সত্ত্বেও দেশের যা পরিস্থিতি, পুলিশের টহল কমলে তো কথাই নেই। উলুর পাখ আরো গজাবে।

এই সুযোগে অপরাধীদের তৎপরতা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা।

পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ১১ হাজার ৯২৩টি যানবাহন রয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ৬ হাজার ৪৪৫টি।

জিপ, ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ, দুই সারির আসন বিশিষ্ট পিকআপ ভ্যান আছে ৫ হাজার ৪৭৮টি।

এই সমস্ত যানবাহনের মধ্যে টহল কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় দুই সারির আসন বিশিষ্ট পিকআপ ভ্যান।

জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ বাঁচাতে ক্লাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, পুলিশের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! এই কী অবস্থা দেশের?

বাংলাদেশে এখন পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে রেশনিং করে। বিপিসি ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ, তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কোথাও কোথাও তেল নেই।

সারা দেশে এক লাখ পাঁচ হাজারের মতো এই শ্রেণির অপরাধী ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এই সরকার আদতে কী উপহার দিচ্ছে জনগণকে? সংকট মোকাবেলায় কোনো বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা আশা করা যাচ্ছে না।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে জ্বালানি সংকটে পুলিশ যদি টহল দিতে না পারে, তাহলে মানুষের নিরাপত্তা কে দেবে? এই প্রশ্নের উত্তর বর্তমান সরকারের কাছে নেই।

আগে থেকেই জ্বালানি মজুদ রাখা, পুলিশের টহল কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া, এই মৌলিক কাজগুলো করার সদিচ্ছা কী‌ আছে সরকারের? যদি থাকতোই, তাহলে এই শঙ্কার কথা বিশেষজ্ঞদের মুখ থেকে এভাবে বেরোত না।

এমন যখন অবস্থা দেশের, তখন অনেকেই এই কথা বলছেন, পুলিশকে সাইকেল কিনে দেওয়া হোক। তাতে করে শরীর চর্চাও হবে, দেশের জ্বালানিও বাঁচবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *