ঢাকা: শেখ হাসিনার প্রতিটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্তই সুদূরপ্রসারী এবং পরিকল্পিত।
ভারত থেকে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ কিন্তু সে জ্বালানি আনা হবে কিভাবে?তার জন্য শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে উপায় তৈরি করে রাখা হয়েছিলো।একেই বলে দূরদর্শী নেতৃত্ব।
শেখ হাসিনাকে বলা হয় দেশদ্রোহী ! তিনি দেশদ্রোহী? শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে নাকি “দেশবিরোধী” অসংখ্য চুক্তি করে গেছেন—এমনটাই বছরের পর বছর ধরে প্রচার করা হয়েছে।
৫ আগস্টের পর তো এটাই ছিলো মেইনস্ট্রিম গল্প।
বলা হয়েছে, চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নাকি ভারতের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বাস্তবতা কী তাই বলে? মুখোশ গুলো খুলে যাচ্ছে আসল দেশদ্রোহীদের।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত যে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছিল, আজ সেটিই বাংলাদেশের সংকটকালে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কী বলবেন তারা?
এই পাইপলাইনের মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ডিজেল আমদানি করা যাবে, যা বর্তমানে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে।
এই পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি পরিবহন খরচ কমবে এবং দ্রুততম সময়ে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত হবে।
এই পাইপলাইনের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩০ কিলোমিটার, যার মধ্যে প্রায় ১২০ কিলোমিটার বাংলাদেশের ভেতরে।
বাংলাদেশ বাঁচবে কার জন্য? এবার বলবে না দিল্লি না ঢাকা? তবুও বলবে কারণ এরা যে পাত্রে খায় সে পাত্রেই শৌচ করে।
যে চুক্তিগুলো নিয়ে এতদিন ধরে “দেশ বিক্রি হয়ে গেছে” বলে হৈচৈ করা হয়েছে, আজ সেই একই চুক্তি বাস্তবে বাংলাদেশেরই কাজে লাগছে।
এবং যাদের মুখে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ শোনা যেত—বিএনপির রিজভীসহ অনেকেই—এখন তারাই সেই ব্যবস্থাগুলো কার্যকর করার জন্য ভারতের দিকেই তাকিয়ে আছে। এটাকেই বলে সময়।
ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসছে।
আজকেই এই জ্বালানি তেল দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে ডিজেল পাঠানোর পাম্পিং কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, রোববার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
ওই বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন ব্যবহার করে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।
বিপিসির বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান চালানের পাশাপাশি শিগগিরই ভারত থেকে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের আরেকটি চালান দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
