ঢাকা: হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি, লাল জার্সি পরে লাইভে জবাবদিহি করছেন।

বোর্ডে পেনসিল দিয়ে লিখে লিখে  বুঝাচ্ছেন।

বাস্তবতা হলো হাসনাত আব্দুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন দালালী এবং কোটার ভিত্তিতে।

আর হাসনাত যা করেছেন তা অনেক আগেই করেছেন ব্যারিস্টার সুমন।

মানুষের থেকে দূরে নয় বরং মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের কাজের হিসাব দেওয়া, জনগণের কাছে জবাবদিহি করা—এই সংস্কৃতি ব্যারিস্টার সুমন অনেক আগেই চালু করেছিলেন।

তবে সুমনের সাথে হাসনাতের তুলনা যায় না। যাবেও না। হাসনাতের মতো টোকাই তো ব্যারিস্টার সুমন।

ব্যারিস্টার সুমন মূলত সাধারণ মানুষের, এবং বিএনপি,জামাতের ভোটেই এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। দুর্নীতিবাজ হাসনাতের জগৎ আলাদা।

বিষয় হচ্ছে, ইউনুসের আমলে ৩৩৮ কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ কিভাবে নির্বাচনের আগে হাসনাত ভাগিয়ে নিয়েছিলেন?

কোন কোন ঠিকাদারকে হাসবাত ওই সরকারি কাজে ভাগভাগি করে দিয়েছিলেন?

সেটা অবশ্য প্রেজেন্টেশন করে হাসনাত ফেসবুক পেজে দেখাতে পারেননি।

বন্যার টাকার হিসেব কি হাসনাতরা প্রেজেন্টেশন করে দেখাতে পারবেন?

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন অত্যন্ত চালাকভাবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

কী বলেছেন দেখি:

হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গত তিন সপ্তাহে তিনি মূলত এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশাসনিক কাঠামো এবং সরকারি সেবার মান যাচাইয়ের কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতিটি সরকারি কাজের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।

বর্তমানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, এলজিইডি এবং পিআইও অফিসের অধীনে বেশ কিছু সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। বর্ষার আগেই এসব কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ‘জবাবদিহিতা’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলার ঘোষণা দেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *