ঢাকা: বর্তমান প্রেক্ষপটে রাজাকার আর রাজাকারের দোসর ছাড়া সংসদে কারোই ভাষণ দেওয়ার অধিকার নাই..! তাই না জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের?

সংসদে ভাষণ দেয়ার অধিকার আছে শুধু রাজাকার, ধর্ষক জামায়াতের। এটাই তো বলতে চান আপনি?

তাহের বলেছেন, সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেয়ার কোনো অধিকার নাই । তার এই বক্তব্য শুধু বেআইনি নয়, সংবিধান বিরোধীও বটে।

সংবিধানের ৭৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি-

“সংসদ-সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বৎসর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করিবেন।”

এখানে কোন ইফ বা বাট নাই। উপদেষ্টা নিয়োগ, অধ্যাদেশ জারিসহ সব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সহি। কিন্তু প্রথম সেশনে মহামান্যের ভাষণ সহি নয়, এই প্রশ্ন যারা তুলছেন তারা পাঁয়তারা করছেন।

সংসদ-সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বৎসর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করিবেন।

এখন যারা বলেন রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া যাবে না, তারা যে আসলে কী তা তো আমরা সকলেই জানি।

রাষ্ট্রপতিকে ফ্যাসিস্টের সহযোগী আখ্যা দিয়ে সংসদে তার বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সংসদের বিরোধী দলের এমপিদের নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এই সংবিধানবিরোধী মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই। স্বৈরাচারের দোসর। বিএনপি কেন যে তাকে দিয়ে ভাষণ দেওয়াচ্ছে আমরা পরিষ্কার নই। এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেগুলো কাল দেখবেন।

উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বিএনপি।

সরকার গঠনের পর বসবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। আগামীকাল ১২ই মার্চ এই নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *