Oplus_131072

ঢাকা: সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনে দুদকের মিথ্যা মামলা ছিলো।

ইউনুস অবৈধ অসাংবিধানিক অগণতান্ত্রিক সরকারের ক্রোধানলে পড়ে তিনি কারাভোগ করেন।

তবে এতে খুশির কিছু দেখছি না। বাকি আরো সাংবাদিক, আরো আওয়ামী লীগের সমর্থক, নেতা কর্মীরা কারাগারে রাতদিন পার করছেন, কারাগারে মারা যাচ্ছেন হয়তো হত্যাও করা হচ্ছে তাদের কী হবে?

একদিকে জামিন, আরেকদিকে ধানমন্ডি ৩২ এ যাবার জন্য, ফুল দেবার জন্য গ্রেপ্তার! এইসব ঘটনায় আমরা কী বুঝবো?

সাংবাদিক আনিস আলমগীর অবশেষে আজ কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন, এটা সাময়িক স্বস্তি।

তবে কোন অপরাধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে গ্রেপ্তার করেছিল? কেন তাকে বিচার ছাড়া এতোদিন জেলে রাখা হলো? আরো অসংখ্য সাংবাদিক যারা বিনা বিচারে জেলে আছে তাদের মুক্তি কবে মিলবে? নাহ, এসবের উত্তর আমরা এখনো পাইনি।

১৮ মাসে যা ইচ্ছে তাই করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। সারা দেশটাকে বানিয়েছে লঙ্গরখানা। পাকিস্তানি জঙ্গীরা যখন ইচ্ছা এসেছে, গিয়েছে। পরিস্থিতি এখনো খুব স্বাভাবিক বলা যায় না।

এখন পর্যন্ত আনিসের কোন দোষ খুঁজে পাওয়া গেছে বলে জানা যায়নি ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ৫৫ বছরে আর কোন সরকারের আমলে এতো মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তার হয়েছে কী না সন্দেহ আছে।

জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পর হত্যা ও সহিংসতা মামলার বেড়াজালে জড়িয়ে আছে প্রায় ২৯৬ জন সাংবাদিকের নাম।

কারো নামে হত্যা মামলা, ইত্যাদি নানান কিছু। সব ভুয়া।

এখনো সাংবাদিক শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপার মতো আরো সাংবাদিকেরা বন্দী। যারা বিনা বিচারে কারাগারে।

অথচ জঙ্গীদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে কারাগার থেকে। কোনো দেশের আইন দেখেছেন এমন?

প্রশ্ন করার জন্য তো সাংবাদিকের চাকরিই খেয়ে নিয়েছেন ফারুকী।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।

এদিন শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে মুক্তি পান তিনি।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন জানান, সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিনের যাবতীয় কাগজপত্র একদিন আগে কারাগারে পৌঁছায়।

যাচাই-বাছাই করে আজ (শনিবার) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাঁকে ছেড়ে দিলে তিনি স্বজনদের সঙ্গে কারাগার থেকে বের হয়ে যান।

গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করে।

মামলায় আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

২৫ জানুয়ারি এই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে দুদক। তাঁকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। সেই মামলায়ও জামিন পান তিনি।

 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *